Logo

আম রপ্তানি বাড়াতে সরকারের উদ্যোগ প্রশংসনীয় : এফ এইচ আনসারী

আম রপ্তানি
ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২৮ মার্চ, ২০২২
প্রিন্ট তারিখ: ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আম রপ্তানিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নানান কারনে প্রতিবছর উৎপাদিত আমের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ নষ্ট হয়। নষ্ট রোধ করে বিদেশে বাড়তি আম রপ্তানির জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের এগ্রি বিজনেসের নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিত্ব ড. এফ এইচ আনসারী।

এ বিষয়টিকে মাইলফলক হিসেবেও দেখছেন ড. আনসারী। বিজনেস নিউজ পোর্টাল দেশ সমাচারের সাথে আলাপকালে এই কৃষি বিশেষজ্ঞ বলেন, প্রকল্পটির মাধ্যমে পাঁচ শতাংশ আমের উৎপাদন বাড়ানো এবং ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ আম নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষার পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে। এর ফলে রপ্তানিও বাড়বে দ্বিগুণ।

বর্তমানে দেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, মেহেরপুর, সাতক্ষীরাসহ পার্বত্য জেলায় বেশ মানসম্মত আম উৎপাদন হয়। রাজধানী ঢাকা থেকে এসব জেলার দূরত্ব অনেক। পরিবহন, সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণসহ নানান কারণে প্রতিবছর তাই উৎপাদিত আমের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ নষ্ট হয়। সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নেয়া প্রকল্পটি এরইমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকায় যে সব কৃষকের ৫০ শতকের বেশি কৃষিজমিতে আম বাগান রয়েছে তাদের উপকারভোগী কৃষক হিসেবে বাছাই করা হয়েছে। প্যাকেজিং, আম ব্র্যান্ডিং, ওয়াশিংসহ সব ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। আম নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে বিদেশে রপ্তানি বাড়ানোই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য বলে জানান কর্মকর্তারা।

ডিএই জানায়, প্রকল্প এলাকার অন্তর্ভুক্ত দেশের চারটি বিভাগের ১৫টি জেলার ৪৬টি উপজেলা। রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট, পুঠিয়া, তানোর, মোহনপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদর, শিবগঞ্জ, নাচোল, ভোলাহাট, গোমস্তাপুর, নওগাঁর বদলগাছি, সাপাহার, পোরসা, মান্দা, নাটোর সদর, বড়াইগ্রাম, বাগাতিপাড়া, লালপুর,  রাঙ্গামাটি সদর, নানিয়ারচর, বরকল, বান্দরবান সদর, দিঘীনালায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

এছাড়া তালিকায় আরও রয়েছে খাগড়াছড়ি সদর, দিঘীনালা, রংপুরের সদর, পীরগঞ্জ, মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, যশোরের সদর, মনিরামপুর, শার্শা, সাতক্ষীরার কলারোয়া, দেবহাটা, কুষ্টিয়ার মিরপুর, দৌলতপুর, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা ও মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর।

এদিকে, চলতি বছর আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড. আনসারী। সম্প্রতি চাপাইনবাবগঞ্জে সরেজমিন দেখে এসেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, গাছ প্রচুর মুকুল এসেছে এবং কৃষকরাও যত্ন নিচ্ছেন। তবে ট্রাডিশনাল আম গাছের চেয়ে আল্ট্রা হাইডেনসিটির আমে ফলন বেশী হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। আমের জাত পরির্তনের উপরও গুরুত্বারোপ করেন দেশের অন্যতম এই কৃষি ব্যক্তিত্ব।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: শাহাদাত হোসেন
অফিস: ই- ১৭/৪, পল্টন চায়না টাউন, পল্টন ঢাকা- ১০০০
ফোন: +৮৮০১৭১০-২১০৬৫৭ | ই-মেইল: [email protected]
অনলাইন সংস্করণ: www.deshshamachar.com | © ২০২৬