Logo

সয়াবিন চাষে কৃষকদের আগ্রহী করতে চায় সরকার

সয়াবিন চাষ
ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
প্রিন্ট তারিখ: ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

সয়াবিন বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেলবীজ ফসল। বাংলাদেশে যা উৎপাদন হয় তা চাহিদার মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ। বাংলাদেশের কৃষকদের সয়াবিন চাষের অভিজ্ঞতা না থাকলেও সরকার কৃষকদের আগ্রহী করতে চায়।এ লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা। গ্রামে গ্রামে কৃষকদের সয়াবিন চাষের ধারণা দিতে কাজ করছেন কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা সয়াবিনের একটি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছেন। বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে বিনাসয়াবিন-২।

জাতটি সম্পর্কে বলা হয়েছে এটি উচ্চ ফলনশীল। গাছের উচ্চতা রবি মৌসুমে ২৭-৪০ সেন্টিমিটার এবং খরিফ মৌসুমে ৩৫-৪২ সেন্টিমিটার হয়। প্রাথমিক শাখা ৩-৫টি। প্রতি গাছে ফলের সংখ্যা ৪০-৫০টি। বীজ আকারে মাঝারি ধরনের এবং ১০০ বীজের ওজন ১৩.০-১৩.৮ গ্রাম হয়। বীজে আমিষ, তেল ও শর্করার পরিমাণ যথাক্রমে ৪৩, ১৯ এবং ২৬ শতাংশ।

রবি এবং খরিফ মৌসুমে এ গাছের জীবনকাল যথাক্রমে ১১৫ এবং ১১৭ দিন। এ দুই মৌসুমে যথাক্রমে ২.৫-২.৮ এবং ২.৭-৩.৩ টন/হেক্টর ফলন পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অফিসার ড. এম. মনজুরুল আলম মন্ডল জানিয়েছেন, রবি এবং খরিফ উভয় মৌসুমেই সয়াবিন চাষ করা যায়। বেলে দো-আঁশ, দো-আঁশ ও এঁটেল দো-আঁশ মাটিতে এর চাষ করা যায়। খরিফ মৌসুমের জন্য উঁচু ও পানি নিষ্কাশনযোগ্য জমি এবং রবি মৌসুমের জন্য মাঝারি থেকে নিচু জমি নির্বাচন করতে হয়। নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, ভোলা, যশোর, ময়মনসিংহের কিছু অঞ্চল সয়াবিন চাষের উপযোগী।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: শাহাদাত হোসেন
অফিস: ই- ১৭/৪, পল্টন চায়না টাউন, পল্টন ঢাকা- ১০০০
ফোন: +৮৮০১৭১০-২১০৬৫৭ | ই-মেইল: [email protected]
অনলাইন সংস্করণ: www.deshshamachar.com | © ২০২৬