Logo

মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ছে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পের

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ
ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর, ২০২১
প্রিন্ট তারিখ: ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে ১২শ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ছে। গেলো সাত বছর আগে শুরু হওয়া এ প্রকল্পে এরই মধ্যে প্রায় অর্ধেক কাজ হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি মাতারবাড়ীতে সমুদ্র বন্দরের জন্য সহায়ক অবকাঠামোও তৈরি হবে।

২০১৫ সালের মাঝামাঝি মাতারবাড়ীতে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। অর্ধযুগ পর এ প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ৫১ হাজার হাজার ৮৫৪ কোটি টাকা করার সংশোধনী প্রস্তাব পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। ব্যয় বৃদ্ধির হার ৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ।

২০২৩ সালে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়তি সাড়ে তিন বছর সময় চাওয়া হয়েছে নতুন করে। বিদ্যুৎ বিভাগের এ প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় তোলা হচ্ছে আজ। একনেকের কার্যতালিকায়্‌ও প্রকল্পটি রাখা হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি অনুমোদনের পর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিটেইল ডিজাইন করে। সে অনুযায়ী খরচ বেড়েছে প্ল্যান্ট ও জেটির ক্ষেত্রে। তা ছাড়া মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দরের উপযোগী কিছু অবকাঠামোর জন্যও বাড়তি ব্যয় হবে। বাড়তি কাজের জন্য বাড়তি সময়ও লাগবে।

নতুন প্রস্তাবে চ্যানেল, জেটি, ভূমি উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সিভিল কার্যক্রম, বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, পরামর্শক, ভ্যাট-আইটি ও আমদানি শুল্ক, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন ও টাউনশিপ নির্মাণেও বাড়তি ব্যয়ের প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

গত সাত বছরে এ পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। ৪৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্পটি সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত (ফাস্ট ট্র্যাক) বা মেগা প্রকল্পের একটি। কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে। এতে তুলনামূলক কম কয়লার প্রয়োজন হবে, ফলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডও নির্গত হবে কম। বায়ুদূষণ ও পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব কম পড়বে।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: শাহাদাত হোসেন
অফিস: ই- ১৭/৪, পল্টন চায়না টাউন, পল্টন ঢাকা- ১০০০
ফোন: +৮৮০১৭১০-২১০৬৫৭ | ই-মেইল: [email protected]
অনলাইন সংস্করণ: www.deshshamachar.com | © ২০২৬