ভারতের মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক জেনোমিক ওয়েলনেস সম্মেলনে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়েলনেস পেশাজীবী, মাইন্ড মেন্টর ও সার্টিফায়েড জেনোমিক কনসালট্যান্ট ডা. মেছবাহ উদ্দিন। সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের জন্য তিনি ‘জেনোমিক ওয়েলনেস স্পিকার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন।
গত ২ থেকে ৪ অক্টোবর মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল জেনোমিক ওয়েলনেস মিশন সামিট ২০২৬’-এ তিনি ‘ডিজাইন ইয়োর ডেসটিনি উইথ জেনেটিক ইনসাইটস: আনলকিং দ্য ফিউচার অব পারসোনালাইজড অ্যান্ড প্রিভেন্টিভ ওয়েলনেস’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
প্রবন্ধে ডা. মেছবাহ উদ্দিন জেনোমিক তথ্যের ব্যবহার, ব্যক্তিকেন্দ্রিক সুস্থতা, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং জীবনযাপনের ক্ষেত্রে সচেতন সিদ্ধান্তের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি জেনেটিক তথ্যকে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার একটি মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে জিনগত বৈশিষ্ট্যই একজন মানুষের ভবিষ্যৎ পুরোপুরি নির্ধারণ করে না বলেও তিনি তার বক্তব্যে তুলে ধরেন। সচেতনতা, জীবনযাপনের অভ্যাস, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা সুস্থতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মানসিক সুস্থতা, মাইন্ডসেট উন্নয়ন ও হোলিস্টিক ওয়েলনেস নিয়ে কাজ করা ডা. মেছবাহ উদ্দিন তার উপস্থাপনায় জেনোমিকস ও ব্যক্তিগত জীবনযাপনের বিভিন্ন দিকের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা করেন। পাশাপাশি ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও প্রতিরোধমূলক সুস্থতার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ ও অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং জেনোমিক ওয়েলনেসের বিভিন্ন নতুন ধারণা সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে আগামী মাসে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য তিন দিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণও পেয়েছেন ডা. মেছবাহ উদ্দিন।
ডা. মেছবাহ উদ্দিন বাংলাদেশের একজন ওয়েলনেস পেশাজীবী, মাইন্ড মেন্টর, হোলিস্টিক ওয়েলনেস কোচ ও সার্টিফায়েড জেনোমিক কনসালট্যান্ট। তিনি মানসিক সুস্থতা, মাইন্ডসেট উন্নয়ন, ওয়েলনেস শিক্ষা এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক সুস্থতা নিয়ে কাজ করছেন। জেনোমিক অন্তর্দৃষ্টি, জীবনযাপনের অভ্যাস ও মাইন্ড ট্রান্সফরমেশনের সমন্বয়ে মানুষের সুস্থতা ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার কথা জানিয়েছেন তিনি।