১১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ

চলমান ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ’।

সম্প্রতি কায়রোর সিটি স্টার শপিংমলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে শরণার্থীদের হাতে উপহারসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

যুদ্ধের কারণে পার্শ্ববর্তী দেশ মিশরে সন্তান-সন্ততিসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকেই।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  এক্সলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

এর আগে ‘ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ’-এর উদ্যোগে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রবাসী ও বাংলাদেশের বিভিন্ন চ্যারিটিজ ফাউন্ডেশনের পাঠানো অনুদান দিয়ে ২২টি কনটেইনার (লরি) ত্রাণসামগ্রী মিশর সীমান্ত দিয়ে গাজায় পাঠানো হয়।

এদিকে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তা নিয়ে ওয়ার্ল্ড ওয়ান উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সভাপতি হুজাইফা খান জানান, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সপ্তম দফায় ‘ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ’-এর পক্ষ থেকে দেয়া খাদ্যসামগ্রীর লরিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন চ্যারিটিজ ফাউন্ডেশনের আরও ১৫টি লরি গাজায় পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গাজায় এ ধরনের সহযোগিতামূলক নানামুখী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ করোনাকালীন বৈশ্বিক সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করে। বাংলাদেশি প্রবাসীদের দ্বারা পরিচালিত সংগঠনটি শুরু থেকেই শিক্ষামূলক কার্যক্রমগুলো মক্কার উম্মুল ক্বুরা ইউনিভার্সিটি, মদীনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় ও আল-আযহার ইউনিভার্সিটির মতো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। পাশাপাশি দেশের প্রখ্যাত আলেমরাও এই কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন।

অনলাইনে দ্বীনি শিক্ষার প্লাটফর্ম চালু রাখার পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায় শতাধিক মাদ্রাসা ও মক্তব পরিচালনা করছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে বহুমুখী সাদাকাহ কার্যক্রমও চলছে।

দেশের পাশাপাশি গাজাবাসীর জন্য এবারই প্রথম শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ।

আগামী দিনে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও দ্বীনি শিক্ষার প্রচার-প্রসারে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ

প্রকাশিত : ১১:৩৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪

চলমান ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ’।

সম্প্রতি কায়রোর সিটি স্টার শপিংমলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে শরণার্থীদের হাতে উপহারসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

যুদ্ধের কারণে পার্শ্ববর্তী দেশ মিশরে সন্তান-সন্ততিসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকেই।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  এক্সলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

এর আগে ‘ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ’-এর উদ্যোগে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রবাসী ও বাংলাদেশের বিভিন্ন চ্যারিটিজ ফাউন্ডেশনের পাঠানো অনুদান দিয়ে ২২টি কনটেইনার (লরি) ত্রাণসামগ্রী মিশর সীমান্ত দিয়ে গাজায় পাঠানো হয়।

এদিকে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তা নিয়ে ওয়ার্ল্ড ওয়ান উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সভাপতি হুজাইফা খান জানান, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সপ্তম দফায় ‘ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ’-এর পক্ষ থেকে দেয়া খাদ্যসামগ্রীর লরিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন চ্যারিটিজ ফাউন্ডেশনের আরও ১৫টি লরি গাজায় পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গাজায় এ ধরনের সহযোগিতামূলক নানামুখী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ করোনাকালীন বৈশ্বিক সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করে। বাংলাদেশি প্রবাসীদের দ্বারা পরিচালিত সংগঠনটি শুরু থেকেই শিক্ষামূলক কার্যক্রমগুলো মক্কার উম্মুল ক্বুরা ইউনিভার্সিটি, মদীনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় ও আল-আযহার ইউনিভার্সিটির মতো প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। পাশাপাশি দেশের প্রখ্যাত আলেমরাও এই কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন।

অনলাইনে দ্বীনি শিক্ষার প্লাটফর্ম চালু রাখার পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায় শতাধিক মাদ্রাসা ও মক্তব পরিচালনা করছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে বহুমুখী সাদাকাহ কার্যক্রমও চলছে।

দেশের পাশাপাশি গাজাবাসীর জন্য এবারই প্রথম শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইলমান নাফিয়া চ্যারিটি হাউজ।

আগামী দিনে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও দ্বীনি শিক্ষার প্রচার-প্রসারে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি।