০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

আবারও লকডাউন প্রস্তাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর না

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৯:২৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ ২০২১
  • 332

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় সারাদেশে আবারও কঠোর লকডাউন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রস্তাব নাকচ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ বিষয় তিনি বলেন, লকডাউনের সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের, এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা নেই।

বুধবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্র জানিয়েছে, সারাদেশে পুনরায় লকডাউনসহ কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও বর্তমানে করণীয় সম্পর্কে গতকাল (মঙ্গলবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় ১২টি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। পরে এসব বিষয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

প্রস্তাবগুলো হলো-
১. সম্ভব হলে কমপ্লিট লকডাউনে যেতে হবে। সম্ভব না হলে ইকোনমিক ব্যালেন্স রেখে যেকোনো জনসমাগম বন্ধ করতে হবে।
২. কাঁচা বাজার, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শপিংমল, মসজিদ, রাজনৈতিক সমাগম, ভোট অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, পবিত্র রমজান মাসের ইফতার মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে।
৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেগুলো বন্ধ রয়েছে সেগুলো বন্ধ রাখতে হবে। অন্যান্য কার্যক্রম সীমিত রাখতে হবে।
৪. যেকোনো পাবলিক পরীক্ষা (বিসিএস, এসএসমি, এইচএসসি, মাদ্রাসা, দখিলসহ অন্যান্য) বন্ধ রাখতে হবে।
৫. কোভিড পজিটিভ রোগীদের আইসোলেশন জোরদার করা।
৬. যারা রোগীদের কন্ট্রাকে আসবে তাদের কঠোর কোয়ারেন্টাইনে রাখা।
৭. বিদেশ থেকে বা প্রবাসী যারা আসবেন তাদের ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টাইনে রাখা এবং এ ব্যাপারে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নেওয়া।
৮. আগামী ঈদের ছুটি কমিয়ে আনা।
৯. স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আইন প্রয়োজনে জোরদার করা।
১০. পোর্ট অব এন্ট্রিতে জনবল বাড়ানো, মনিটরিং জোরদার করা।
১১. সব ধরনের সভা ভার্চুয়াল করা।
১২. পর্যটন এলাকায় চলাচল সীমিত করা।

এইসব প্রস্তাবের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও ৫টি প্রস্তাব দিয়েছেন। তারা বলেছেন- বইমেলা বাতিল করতে হবে, বদ্ধস্থানে বা কক্ষে ইফতার পার্টি না করতে নির্দেশনা দিতে হবে এবং ঈদের ছুটি কমিয়ে একদিন করতে হবে, কক্সবাজারসহ পর্যটন এলাকায় যাতায়াত সীমিত করা এবং মসজিদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজের ব্যবস্থা করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আবারও লকডাউন প্রস্তাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর না

প্রকাশিত : ০৯:২৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ ২০২১

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় সারাদেশে আবারও কঠোর লকডাউন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রস্তাব নাকচ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ বিষয় তিনি বলেন, লকডাউনের সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের, এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা নেই।

বুধবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্র জানিয়েছে, সারাদেশে পুনরায় লকডাউনসহ কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও বর্তমানে করণীয় সম্পর্কে গতকাল (মঙ্গলবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় ১২টি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। পরে এসব বিষয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

প্রস্তাবগুলো হলো-
১. সম্ভব হলে কমপ্লিট লকডাউনে যেতে হবে। সম্ভব না হলে ইকোনমিক ব্যালেন্স রেখে যেকোনো জনসমাগম বন্ধ করতে হবে।
২. কাঁচা বাজার, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শপিংমল, মসজিদ, রাজনৈতিক সমাগম, ভোট অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, পবিত্র রমজান মাসের ইফতার মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে।
৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেগুলো বন্ধ রয়েছে সেগুলো বন্ধ রাখতে হবে। অন্যান্য কার্যক্রম সীমিত রাখতে হবে।
৪. যেকোনো পাবলিক পরীক্ষা (বিসিএস, এসএসমি, এইচএসসি, মাদ্রাসা, দখিলসহ অন্যান্য) বন্ধ রাখতে হবে।
৫. কোভিড পজিটিভ রোগীদের আইসোলেশন জোরদার করা।
৬. যারা রোগীদের কন্ট্রাকে আসবে তাদের কঠোর কোয়ারেন্টাইনে রাখা।
৭. বিদেশ থেকে বা প্রবাসী যারা আসবেন তাদের ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টাইনে রাখা এবং এ ব্যাপারে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নেওয়া।
৮. আগামী ঈদের ছুটি কমিয়ে আনা।
৯. স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আইন প্রয়োজনে জোরদার করা।
১০. পোর্ট অব এন্ট্রিতে জনবল বাড়ানো, মনিটরিং জোরদার করা।
১১. সব ধরনের সভা ভার্চুয়াল করা।
১২. পর্যটন এলাকায় চলাচল সীমিত করা।

এইসব প্রস্তাবের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও ৫টি প্রস্তাব দিয়েছেন। তারা বলেছেন- বইমেলা বাতিল করতে হবে, বদ্ধস্থানে বা কক্ষে ইফতার পার্টি না করতে নির্দেশনা দিতে হবে এবং ঈদের ছুটি কমিয়ে একদিন করতে হবে, কক্সবাজারসহ পর্যটন এলাকায় যাতায়াত সীমিত করা এবং মসজিদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজের ব্যবস্থা করতে হবে।