১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিডনিতে পাথর হলে যেভাবে বুঝবেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১০:৪৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১
  • 158

দেশে দিন দিন কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে কিডনিতে পাথর হয়েছে এখন প্রায়শই শোনা যায়। কিডনির সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হল স্টোন বা পাথর হওয়ার সমস্যা। কিডনিতে পাথরের প্রাথমিক লক্ষণগুলো নির্ভর করে পাথর কিডনির কোথায় এবং কী ভাবে রয়েছে। কিডনিতে পাথরের আকার-আকৃতিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাথর খুব ছোট হলে সেটি কোনও ব্যথা-বেদনা ছাড়াই দীর্ঘদিন পর্যন্ত শরীরে থাকতে পারে! ফলে টেরও পাওয়া যায় না। এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিন:

কিডনিতে পাথর জমার কারণ:

কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রকৃত কারণ যদিও এখনও জানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয় কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ বলে বিবেচিত হয়। যেমন:-
• শরীরে পানির স্বল্পতা। কম পানি খাওয়া।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  এক্সলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

• বারবার কিডনিতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর জন্য যথাযথ চিকিত্‍সার ব্যবস্থা না করা।

• অত্যাধিক পরিমাণে দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস।

• শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য।

কিডনিতে পাথর হওয়ার উপসর্গ:-
• বমি বমি ভাব। অনেক সময় বমিও হতে পারে।
• রক্তবর্ণের প্রসাব।

কিডনির অবস্থানে (কোমরের পিছন দিকে) ব্যথা। ব্যথা তীব্র হতে পারে তবে সাধারণত খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। ব্যথা কিডনির অবস্থান থেকে তলপেটেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চিকিত্‍সা:-

কিডনির অবস্থানে ব্যথা এবং রক্তবর্ণের প্রসাব হলে চিকিত্সকরা সাধারণত দুটো সম্ভাবনার কথা চিন্তা করেন। একটি হল কিডনির ইনফেকশন, অন্যটি কিডনিতে পাথর। তাই কিডনির এক্সরে, আলট্রা সনোগ্রাম এবং প্রসাবের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কখনও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি আর যথাযথ ওষুধ খেলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে অস্ত্রপচারই একমাত্র উপায়।

আরও পড়ুন:- স্বাস্থ্যসেবার এ্যাপ প্লেক্সাসডি এখন হিয়া

সতর্কতা:-
• কখনও প্রসাব আটকে বা চেপে রাখবেন না। প্রসাবের বেগ আসলে চেষ্টা করবেন সঙ্গে সঙ্গে প্রসাব করার।

• কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি এড়াতে হলে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে।
• বারবার ইউরিন ইনফেকশন দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

• প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খান।

• দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার অতিরিক্ত মাত্রায় না খাওয়াই ভাল।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিডনিতে পাথর হলে যেভাবে বুঝবেন

প্রকাশিত : ১০:৪৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১

দেশে দিন দিন কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে কিডনিতে পাথর হয়েছে এখন প্রায়শই শোনা যায়। কিডনির সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হল স্টোন বা পাথর হওয়ার সমস্যা। কিডনিতে পাথরের প্রাথমিক লক্ষণগুলো নির্ভর করে পাথর কিডনির কোথায় এবং কী ভাবে রয়েছে। কিডনিতে পাথরের আকার-আকৃতিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাথর খুব ছোট হলে সেটি কোনও ব্যথা-বেদনা ছাড়াই দীর্ঘদিন পর্যন্ত শরীরে থাকতে পারে! ফলে টেরও পাওয়া যায় না। এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিন:

কিডনিতে পাথর জমার কারণ:

কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রকৃত কারণ যদিও এখনও জানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয় কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ বলে বিবেচিত হয়। যেমন:-
• শরীরে পানির স্বল্পতা। কম পানি খাওয়া।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  এক্সলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

• বারবার কিডনিতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর জন্য যথাযথ চিকিত্‍সার ব্যবস্থা না করা।

• অত্যাধিক পরিমাণে দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস।

• শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য।

কিডনিতে পাথর হওয়ার উপসর্গ:-
• বমি বমি ভাব। অনেক সময় বমিও হতে পারে।
• রক্তবর্ণের প্রসাব।

কিডনির অবস্থানে (কোমরের পিছন দিকে) ব্যথা। ব্যথা তীব্র হতে পারে তবে সাধারণত খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। ব্যথা কিডনির অবস্থান থেকে তলপেটেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চিকিত্‍সা:-

কিডনির অবস্থানে ব্যথা এবং রক্তবর্ণের প্রসাব হলে চিকিত্সকরা সাধারণত দুটো সম্ভাবনার কথা চিন্তা করেন। একটি হল কিডনির ইনফেকশন, অন্যটি কিডনিতে পাথর। তাই কিডনির এক্সরে, আলট্রা সনোগ্রাম এবং প্রসাবের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কখনও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি আর যথাযথ ওষুধ খেলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে অস্ত্রপচারই একমাত্র উপায়।

আরও পড়ুন:- স্বাস্থ্যসেবার এ্যাপ প্লেক্সাসডি এখন হিয়া

সতর্কতা:-
• কখনও প্রসাব আটকে বা চেপে রাখবেন না। প্রসাবের বেগ আসলে চেষ্টা করবেন সঙ্গে সঙ্গে প্রসাব করার।

• কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি এড়াতে হলে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে।
• বারবার ইউরিন ইনফেকশন দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

• প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খান।

• দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার অতিরিক্ত মাত্রায় না খাওয়াই ভাল।