০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

বোয়িং থেকে ২১ উড়োজাহজ কেনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিল ইউএস বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে ২১টি উড়োজাহাজ কেনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে দেশের বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস বাংলা। বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে এ ঘোষণা দেয় কোম্পানিটি, যেখানে সরকারের প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, লিজিং কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

যাত্রা শুরুর এক যুগ পূর্তিতে গেল ১৭ জুলাই ১৪ হাজার কোটি টাকায় বোয়িংয়ের ২১টি উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণা দিয়েছিল ইউএস বাংলা। এবার এল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, পাঁচটি লিজিং কোম্পানির মাধ্যমে তারা এসব উড়োজাহাজ সংগ্রহ করবে। লিজিং কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তির কাজও সেরে ফেলেছে তারা।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন,“আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের এভিয়েশন খাতের ভবিষ্যৎকে সমৃদ্ধ করতে আমরা একটি ‘এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান’ প্রণয়ন করছি এবং বগুড়ায় একটি পাইলট ট্রেনিং একাডেমি স্থাপন করতে যাচ্ছি।

“এছাড়া শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে আমরা বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ যাত্রীকে সেবা দিতে সক্ষম হব।”

প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর বলেন, “কেবল ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের জন্যই নয়, বাংলাদেশের সামগ্রিক এভিয়েশন খাতের জন্য, বোয়িংয়ের বিনিয়োগ ও বোয়িংয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।”

অনুষ্ঠানে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসন বলেন, “নতুন চুক্তিটি একটি বিমান কোম্পানির বহর সম্প্রসারণের চেয়েও বেশি কিছু। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যত বিনিয়োগ, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করবে, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সুদৃঢ় করবে, পর্যটন খাতকে ত্বরান্বিত করবে, বাণিজ্য সহজ করবে এবং বাংলাদেশিদের জন্য উচ্চমানের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।”

বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিঘি বলেন, “ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বোয়িং ব্র্যান্ডকে দেখতে পাওয়াটা সত্যিই খুব আনন্দের। ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স যেভাবে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তার করে চলেছে, এই বিমানগুলো তাদের উচ্চতর জ্বালানি সাশ্রয়ী ফিচার, সুপরীক্ষিত পরিচালন-নির্ভরযোগ্যতা এবং উন্নত যাত্রীসেবার মাধ্যমে তাদের সেই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”

ইউ এস বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “নিজস্ব অর্থায়নে আমরা ২০০ জন তরুণ মেধাবী বাংলাদেশিকে যোগ্য পাইলট এবং ১০০ জন তরুণ বাংলাদেশিকে সার্টিফাইড এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য সম্পূর্ণ স্পন্সরশিপের অধীনে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করেছি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়িং থেকে ২১ উড়োজাহজ কেনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিল ইউএস বাংলা

প্রকাশিত : ০৫:২৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে ২১টি উড়োজাহাজ কেনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে দেশের বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস বাংলা। বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে এ ঘোষণা দেয় কোম্পানিটি, যেখানে সরকারের প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, লিজিং কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

যাত্রা শুরুর এক যুগ পূর্তিতে গেল ১৭ জুলাই ১৪ হাজার কোটি টাকায় বোয়িংয়ের ২১টি উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণা দিয়েছিল ইউএস বাংলা। এবার এল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, পাঁচটি লিজিং কোম্পানির মাধ্যমে তারা এসব উড়োজাহাজ সংগ্রহ করবে। লিজিং কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তির কাজও সেরে ফেলেছে তারা।

দেশ সমাচার এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন,“আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের এভিয়েশন খাতের ভবিষ্যৎকে সমৃদ্ধ করতে আমরা একটি ‘এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান’ প্রণয়ন করছি এবং বগুড়ায় একটি পাইলট ট্রেনিং একাডেমি স্থাপন করতে যাচ্ছি।

“এছাড়া শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে আমরা বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ যাত্রীকে সেবা দিতে সক্ষম হব।”

প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর বলেন, “কেবল ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের জন্যই নয়, বাংলাদেশের সামগ্রিক এভিয়েশন খাতের জন্য, বোয়িংয়ের বিনিয়োগ ও বোয়িংয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।”

অনুষ্ঠানে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসন বলেন, “নতুন চুক্তিটি একটি বিমান কোম্পানির বহর সম্প্রসারণের চেয়েও বেশি কিছু। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যত বিনিয়োগ, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করবে, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সুদৃঢ় করবে, পর্যটন খাতকে ত্বরান্বিত করবে, বাণিজ্য সহজ করবে এবং বাংলাদেশিদের জন্য উচ্চমানের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।”

বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিঘি বলেন, “ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বোয়িং ব্র্যান্ডকে দেখতে পাওয়াটা সত্যিই খুব আনন্দের। ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স যেভাবে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তার করে চলেছে, এই বিমানগুলো তাদের উচ্চতর জ্বালানি সাশ্রয়ী ফিচার, সুপরীক্ষিত পরিচালন-নির্ভরযোগ্যতা এবং উন্নত যাত্রীসেবার মাধ্যমে তাদের সেই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”

ইউ এস বাংলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “নিজস্ব অর্থায়নে আমরা ২০০ জন তরুণ মেধাবী বাংলাদেশিকে যোগ্য পাইলট এবং ১০০ জন তরুণ বাংলাদেশিকে সার্টিফাইড এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য সম্পূর্ণ স্পন্সরশিপের অধীনে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করেছি।”