বাণিজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডলার কেনাবেচায় যে অভিন্ন রেট নির্ধারণ করা হয়েছে সেখানে রফতানি ও আমদানির ক্ষেত্রে ব্যবধান বেশি রাখা হয়েছে। এতে ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের দাবি রফতানিকারকরা চাপে পড়বেন । অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যবসায়ীদের দিকে তাকিয়ে নয়, এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে ব্যাংকের স্বার্থে। কারণ সাড়ে ৫ টাকার এই ব্যবধান যেমন চাপে ফেলবে দেশের পুরো অর্থনীতিকে, তেমনি বাড়াবে বাণিজ্য ঘাটতি।

নতুন সিদ্ধান্তে দেখা যায়, রফতানিকারকরা এক ডলারের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৯৯ টাকা পাবেন; এরপর এক টাকা লাভ করতে পারবে ব্যাংকগুলো। রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে দেয়া হবে ১০৮ টাকা, এখানেও সুযোগ রয়েছে এক টাকা লাভের। আমদানি ব্যয়ের ক্ষেত্রে এই দুই আয়ের গড় অর্থাৎ ১০৪.৫ টাকা শোধ করতে হবে ব্যবসায়ীদের। হিসাব বলছে, রফতানি আয় দিয়ে আমদানি দায় মেটাতে একজন ব্যবসায়ীকে নিজের পকেট থেকে ভরতে হবে আরও সাড়ে ৫ টাকা। তাই ডলারকে ঠান্ডা করতে ব্যাংকগুলোর নেয়া এমন সিদ্ধান্ত দিন শেষে দেশের অর্থনীতিতে বরং নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।