নিজস্ব প্রতিবেদক: সারাদেশে বেড়েই চলছে চালের দাম। কেজিতে দাম বেড়েছে ২ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বৃহস্পতিবার (০৪ আগস্ট) রাজধানীর লালবাগের নবাবগঞ্জ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে সবধরনের চালে ২ থেকে ৩ টাকা করে দাম বেড়েছে।

এ ছাড়া সকালে রাজশাহীর বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ৪ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত। দিনাজপুরে চালের বাজারে ফের প্রতি বস্তায় ৫০ থেকে ৮০ টাকা দাম বেড়েছে। খুচরাবাজারে প্রতি কেজি ৩ টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়,গেল সপ্তাহে স্বর্ণা, জিরাশাল, কাটারিভোগ ও মিনিকেট বিক্রি হয়েছে যথাক্রমে বস্তাপ্রতি ২ হাজার ৪০০, ৩ হাজার ৫০০, ৩ হাজার ৫০০ ও ৩ হাজার ২৫০ টাকায়। চলতি সপ্তাহে দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২ হাজার ৫৫০, ৩ হাজার ৬৫০, ৩ হাজার ৭৫০ ও ৩ হাজার ৩৫০ টাকা।

পাইকারি বাজারে চালের দর বাড়ার কারণে প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। বিভিন্ন অজুহাতে মিলাররা অধিক মুনাফার সুযোগ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের।

বাংলাদেশ অটোমেটিক রাইস মিল সমিতির সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমাদের দেশে শুরু হয়েছে রুটিনমাফিক লোডশেডিং। এতে বেড়ে গেছে উৎপাদন ব্যয়। আমার মনে হয় যেখানে চাল প্রস্তুত করা হয়, সেসব মিলকে লোডশেডিংয়ের আওতার বাইরে রাখা উচিত।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, গেল বোরো মৌসুমে জেলায় সাড়ে ১২ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়। আর এখানে ৫৬টি অটো ও ছোট-বড় সাড়ে ৯০০ হাসকিং মিল রয়েছে।