দেশ সমাচার ডেস্ক : দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ৬ ব্রোকারেজ হাউসের গ্রাহকদের সমন্বিত হিসেবে ১৮ কোটি টাকা ঘাটতি পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এই জাতীয় একটি চিঠি দিয়ে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য সূত্র মতে, এর মধ্যে সবচয়ে বেশি ঘাটতি রয়েছে এম সিকিউরিটিজ লিমিটেডের। প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত হিসেবে ঘাটতি আছে ১০ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ডিএসই ও সিএসইর সদস্য আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের। এই প্রতিষ্ঠানটির হিসেবে ঘাটতি রয়েছে ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বালি সিকিউরিটিজ। এই প্রতিষ্ঠানের হিসেবে ঘাটতি রয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ টাকা। এছাড়াও ডিএমআর সিকিউরিটিজ সার্ভিসের ২০ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, হেদায়েতুল্লাহ সিকিউরিটিজের ১০ লাখ ৩০ হাজার এবং শার্প সিকিউরিটিজের হিসেবে ঘাটতি রয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা।

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গেলো ১২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিদর্শন করার নির্দেশ দেয়। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বিধিমালা, 2020 এর নিয়ম ৬(৫) অনুযায়ী এই পরিদর্শন করা হয়।

এর আগে ২২ মার্চ এই জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে। এই নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জকে লিমিটি সুবিধা স্থগিত করা, যোগ্য বিনিয়োগকারী হিসাবে আইপিও কোটা সুবিধা বাতিল, স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানার বিপরীতে পাওয়া লভ্যাংশ স্থগিত এবং ডিপোজিটরি অংশগ্রহণকারীর নিবন্ধন এবং নতুন শাখা ও বুথ খোলা বন্ধ রাখা।