নারায়ণগঞ্জ জেলা রেজিষ্ট্রার জিয়াউল হক ও তার অফিস সহকারী রায়হান খান বাবুর বিরুদ্ধে গোপনে নিকাহ রেজিষ্ট্রার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অভিযোগ তুলেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৭ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা মাহবুবুল আলম নামের এক ব্যক্তি।

মাহবুবুল আলম অভিযোগ করে বলেন, তিনি জেলা রেজিষ্ট্রার আইন মন্ত্রনালয়ে ২২ জানুয়ারি ২০২০ মতামত চান,  এ কিন্তু মন্ত্রণালয় এখনো মতামত দেয়নি এবং ৭ নং ওয়ার্ড এ ১৯/১১/২০১৩ ইং তারিখে মো:মাঈনুর রহমান কে নং বিচার-৭/২এন-৩৭/২০১২(অংশ-২)-১৬০৯ স্মারকে নিকাহ রেজিষ্ট্রার হিসেবে আইন মন্ত্রনালয় নিয়োগ দেন, যা জেলা রেজিষ্ট্রার নারায়ণগঞ্জ স্বীকারও করেছেন যা মন্ত্রনালয়ে মতামতের চিঠিতে উল্লেখ আছে।
এই লাইসেন্স বা নিয়োগ স্থগিত বা বাতিলও হয় নাই। তারপরও ৭ নং ওয়ার্ডসহ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রেশন আইন ২০০৯ এর ৬(৩) এর উপবিধি-২ এ বলা আছে যে, কোন সিটি করপোরেশনে নিকাহ রেজিষ্ট্রার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে মাননীয় সংসদ সদস্যের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও যে এলাকায় নিয়োগ হবে সে ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এর কার্যালযে সাঁটাতে হবে। কিন্তু কোন ও কার্যালয়ে তা টানানো হয় নাই।

মাহবুবুল আলম আরও বলেন, জেলা রেজিষ্ট্রার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়োগ কমিটির এই ৩ সদস্যের কোন সদস্য থেকে বিজ্ঞপ্তি দেয়ার কোন রিসিভ কপি দেখাতে পারবেনা। ডাকযোগে পাঠালেও ডাক বিভাগের কোন রশিদ দেখাতে পারবেননা। ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলি হোসেন আলা কিছুদিন আগে মারা গেছেন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন নিয়ে ব্যাস্ত তখন জেলা রেজিষ্ট্রার নারায়ণগঞ্জ গোপনে বিপুল অর্থের বিনিময়ে কারো ব্যাক্তিগত স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, তিনি ফেব্রুয়ারি মাসে বদলি হতে পারেন বলে তার কাছে খবর আছে তাই যাওয়ার আগে টাকা হাতানোর জন্যই তিনি তিনি এই দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন।

এছাড়াও ৫ নং ওয়ার্ডের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকারী নিকাহ রেজিষ্ট্রার জনাব মাসিউর রহমানের সাথে যোগসাজশ করে তিনি এ কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, কিছুদিন আগেও এই মাসিউর রহমান জেলা রেজিষ্ট্রার ও প্রধান সহকারীকে স্বর্ণের দাঁত লাগিয়ে দিয়েছেন যা খোঁজ নিলেই জানা যাবে।