বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগ

সারাদেশে আনন্দ মূখর পরিবেশে বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করলেও বাউফল উপজেলায় স্হানীয় আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ। কারন বিজয় দিবসের আনন্দ মিছিল ও বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা নিয়ে বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগ এর দলীয় কার্যালয়ে (জনতা ভবন) উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীরা দেখলেন দলীয় কার্যালয় তালা।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আ স ম ফিরোজ এমপিএ উপস্থিত না থাকার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা বলছেন, ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর মামলার আসামি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আ স ম ফিরোজ এমপি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। স্থানীয় এমপির অনুপস্থিতিতে বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নিতে আসা হাজারো নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, বর্তমানে আ স ম ফিরোজ এমপির কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না তাই এলাকায় গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করছেন।

বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগ এর দলীয় কার্যালয়ে তালা

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে  তৎকালীন বরিশাল জেলা ছাএলীগের নেতা কর্মীরা প্রতিবাদ মিছিল বের করলে আ স ম ফিরোজের নেতৃত্বে উক্ত মিছিলে হামলা করে এবং বরিশালের আওয়ামিলীগ অফিসে ভাংচুর চালিয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি পদদলিত করেন আ স ম ফিরোজ। এ বিষয়ে গত ১৪ই ডিসেম্বর পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে মামলা করেন বাউফল ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহিদুল হক।

মামলার স্বাক্ষী করা হয় তৎকালীন বরিশাল জেলা ছাএলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং তৎকালীন বরিশাল জেলা ছাএলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খান আলতাফ হোসেন ভুলু সহ ১০ জনকে। মামলা ও জনরোষের ভয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি  আ স ম ফিরোজ এমপি।

বিষয়টি নিয়ে আ স ম ফিরোজ এমপির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন ধরেননি তিনি।