মেঘ-পাহাড়-সমুদ্রের দেশে

কারও পাহাড়, কারও সমুদ্র আবার কারও সমতলের সবুজ পছন্দ। কারও কাছে বন, আবার কারও কাছে জলরাশিতে নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো। এর সবকিছুই আছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত নগরী কক্সবাজারে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের শীতের গল্পটাও যেন একটু ভিন্ন হয়েই ধরা দেয় হাজারো পর্যটকের কাছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ সমুদ্র সৈকত দেখতে শীতকালের ভিড়টাই সবার কাছে বড় হয়ে ধরা পড়ে।

নগর জীবনের কোলাহল ছেড়ে তাই অনেকেই ছুটছেন মেঘ-পাহাড়-সমুদ্রের দেশে । বছরের সব মৌসুমে এখানে বেড়ানোর সুযোগ থাকলেও শীতটাই যেন প্রকৃত সময়। সে কারণেই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এ মৌসুমেই ভিড়টা একটু বেশি।

কক্সবাজারে বেড়াতে আসা বহুজাতিক একটি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা শাহজালাল রশীদ চৌধুরীর সাথে কথা হয় দেশ সমাচারের সাথে। হাজার কাজের মাঝে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেড়ানোর সময়টা বের করেছেন। স্ত্রী শাইরিন চৌধুরী, ছেলে সাদাফ চৌধুরী এবং ভাই শাহরিয়ার চৌধুরীকে সাথে নিয়ে সময় কাটাতে এসেছেন তিনি মেঘ-পাহাড়-সমুদ্রের দেশে ।

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে শাহজালাল রশীদ চৌধুরীর সাথে তার স্ত্রী শাইরিন চৌধুরী, ছেলে সাদাফ চৌধুরী এবং ভাই শাহরিয়ার চৌধুরী । ছবি: সংগৃহীত

এসময় মিসেস রশীদ জানালেন, শীতে সমুদ্রে বেড়ানোর অন্যরকম আনন্দ। তাই কর্মব্যস্ততার মাঝেও পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়ে ছুটির সুযোগে শীতে বেড়াতে আসা।

এমন কথা আরও অনেকের মুখে। তবে কারও মুখ থেকে না শুনলেও কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের আনাচে-কানাচে ঘুরে খুব সহজেই পর্যটকদের অনুভূতি উপলব্ধি করা যায়।

মেঘ-পাহাড়-সমুদ্রের দেশে দর্শনীয় স্থান : কক্সবাজার শহরের প্রাচীন ঐতিহ্য আজগবি মসজিদ, অগ্গ মেধা বৌদ্ধ ক্যাং, বার্মিজ মার্কেট, রাডার স্টেশন, হিলটপ সার্কিট হাউজ, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ি পাহাড়, ঝর্ণা ও সমুদ্র সৈকত, রামুর বৌদ্ধ বিহার, রাবার বাগান, চকরিয়াস্থ ডুলাহাজরা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, টেকনাফের সমুদ্র সৈকত, মাথিনের কূপ, সেন্টমাটিন প্রবালদ্বীপ, ছেঁড়াদ্বীপ, মহেশখালী জেটি, আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, কুতুবদিয়া বাতিঘর, উখিয়ার ইনানী পাথুরে সৈকত, কানা রাজার সুড়ঙ্গ, মেরিন ড্রাইভ রোডের সৌন্দর্য ও সাগরতলের অজানা রহস্য রেডিয়েন্ট ফিশ ওয়ার্ল্ড।