মোদিকে

আগামী বছরের (২০২১ সালে) বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আজ রোববার নবনিযুক্ত ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীর সঙ্গে বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা তাঁকে (নরেন্দ্র মোদি) আমন্ত্রণ জানিয়েছি এবং তাঁদের সম্মতি আছে।’

আগামী ১৬ বা ১৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভার্চুয়াল বৈঠক হবে।

‘আমাদের বিজয় ভারতেরও বিজয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের একসঙ্গে উদযাপন করা উচিত’, বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী আজ রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ছবি : সংগৃহীত

এর আগে, বিক্রম কুমার আশ্বস্ত করেছিলেন ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার ভার্চুয়াল সম্মেলনকে মোদির ব্যক্তিগত সফরের বিকল্প হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি বলেছিলেন, বরং এটা একটি পরিপূরক সম্মেলন হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁদের মধ্যে খুব ভালো বৈঠক হয়েছে এবং বার্তমান ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশের সংবেদনশীলতা ও সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানেন।

ড. মোমেন বলেন, তাঁরা সীমান্ত হত্যার বিষয়ে এবং দুপক্ষের সীমান্ত জুড়ে থাকা ইস্যু মোকাবিলা করে তা বন্ধের উপায় নিয়েও আলোচনা করেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো এবং শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবেশীদের মধ্যে বিরাজমান ইস্যুগুলো সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে বিশ্বে এক নজির সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ।

আরো পড়ুন- আগামী মাসের মধ্যে সারাদেশে ই-পাসপোর্ট

ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে থাকা সীমানা এবং সমুদ্রসীমা নির্ধারণের কথা উল্লেখ করে আবদুল মোমেন বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে নেতৃত্বের পরিপক্বতাও প্রদর্শিত হয়েছে।’