হাজী সেলিমের ছেলে ‘গ্রেপ্তার’

হাজী সেলিমের
ইরফান সেলিম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং ঢাকা-৭ আসনের আওয়ামী লীগের এমপি হাজী সেলিমের ছেলে।

ঢাকা-৭ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী সেলিমের ছেলে ইফরান সেলিমসহ কয়েকজ গতকাল রাতে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আজ তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

আজ সোমবার দুপুরের দিকে হাজী সেলিমের বাসা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে বাসার সামনে র‌্যাবের এক ব্রিফিংয়ে মূল অভিযুক্ত এরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী জাহিদকে সাময়িক হেফাজতে নেওয়ার কথা জানায় র‌্যাব ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ধানমন্ডি জোনের এডিসি আবদুল্লাহ হিল কাফি বলেন, হাজী সেলিমের বাসায় র‌্যাব অভিযান চালাচ্ছে।

সেখানে পুলিশেরও একটি টিম রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় আরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে গাড়িচালক মীজানুর রহমানকে।

এর আগে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিম আহমদ নামের ওই নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা সোমবার সকালে ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় আসামিদের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং ঢাকা-৭ আসনের আওয়ামী লীগের এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের নাম।

জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যার পর কলাবাগান ক্রসিংয়ের কাছে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয় সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো একটি গাড়ি। এর প্রতিবাদ করলে ওই গাড়ি থেকে কয়েক ব্যক্তি নেমে তাকে মারধর করেন।

ওয়াসিফ বলেন, তিনি স্ত্রীসহ মোটরবাইকে ফিরছিলেন। ওই গাড়িটি তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। তিনি তখনই মোটরসাইকেল থামান এবং নিজের পরিচয় দেন।

তখন গাড়ি থেকে নেমে দুই ব্যক্তি তাকে মারধর করেন। মারধরের কারণে তার (ওয়াসিফ) দাঁত ভেঙে গেছে। হামলাকারীরা তার স্ত্রীর গায়েও হাত দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক আবদুল্লাহ জাহিদ বলেন, ওই গাড়িটি এমপি হাজী সেলিমের। তিনি গাড়িতে ছিলেন না। তার ছেলে ও নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন।

আরো পড়ুন- ঢাবির সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা

তিনি জানান, পুলিশ এমপির গাড়ি ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল রাতেই ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায়।

 

2 মন্তব্য

Leave a Reply