Share Market 7

শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বৈঠকে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসার পর টানা দরপতনের মধ্যে প্রথমবারের মতো পর পর দুই দিন বাড়ল সূচক। কিছুটা বেড়েছে লেনদেনও। তবে লেনদেনের পরিমান এক হাজার কোটি টাকার নিচেই রয়ে গেল।

তিন কর্মদিবস পরেই শেষ হচ্ছে চলতি বছর। তাই বিনিয়োগকারীরা নতুন করে কিনছেন না শেয়ার। বড় বিনিয়োগকারীরাও বসে আছেন হাত গুটিয়ে।

গেলো কয়েক সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় এ সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববারেও বড় পতনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় লেনদেন। সেদিন সূচকের ৭২ পয়েন্ট খোয়ালেও পরে বাড়ে ৩৯ পয়েন্ট । সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিবস মঙ্গলবার তা বাড়ে আরও ৭৩ পয়েন্ট। বলার অপেক্ষা রাখে না বাজারের এই পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদেরকে কিছুটা হলেও প্রশান্তি দেবে।

গেলো ৭ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিএসইসিকে নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে জানানো হয়, ডিসেম্বরের শেষে বা জানুয়ারির শুরুতে আবার বৈঠক করে দৃশ্যমান একটি ঘোষণা আসবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭৩.৪১ পয়েন্ট বা ১.১০ শতাংশ বেড়ে ছয় হাজার ৭৪২.৪৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১৩.৮৩ পয়েন্ট বা ০.৯৭ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৯.৭০ পয়েন্ট বা ০.৭৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৪৩১.৪৭ পয়েন্ট এবং দুই হাজার ৫২৩.৭৮ পয়েন্টে।

ডিএসইতে আজ ৮৭২ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ১২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা বেশি। আগের কার্যদিবস লেনদেন হয়েছিল ৭৪৫ কোটি ১০ লাখ টাকার।

ডিএসইতে আজ ৩৭৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৮৬টির বা ৭৫.৬৭ শতাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। দর কমেছে ৬৯টির বা ১৮.২৫ শতাংশের এবং ২৩টি বা ৬.০৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২৫৬.৪৩ পয়েন্ট বা ১.৩২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৬৭৭.৮০ পয়েন্টে। আজ সিএসইতে হাত বদল হওয়া ৩০১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ২২৯টির, কমেছে ৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির দর। আজ সিএসইতে ৫১ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।