সি অ্যান্ড এফ এজেন্টদের

করোনাকালো স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কয়েক মিলিয়ন ফ্রন্টলাইন কর্মী তাঁদের কাজ চালিয়ে গেছেন। হাসপাতালে অসুস্থ মানুষের সেবায় নিজেদের জীবন তুচ্ছ করে নিয়োজিত থেকেছেন কর্তব্যরত ডাক্তার নার্সসহ চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট খাতের কর্মীরা। অন্যদিকে মহামারীর এই সংকটকালীন সময়েও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে নিরলস কাজ করেছেন বেশ কিছু পেশার মানুষ।

গতবছরের মার্চে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি কোভিড-১৯ যখন ভয়াবহ রুপ ধারণ করে তখন ফ্রন্ট লাইনার হিসেবে কাজ করেন সি অ্যান্ড এফ এজেন্টের কর্মীরা। করোনার ভয়কে উপেক্ষা করে নিরলস কাজ করেছেন এ খাতের অসংখ্য কর্মী।

করোনার প্রথম ধাক্কায় টেষ্ট কিট, ফেস মাস্ক, স্যানিটাইজার সহ গুরুত্বপূর্ণ সাস্থ্য সুরক্ষার সামগ্রী বিভিন্ন বন্দর দিয়ে আমদানি হয়, সেমসয় এসব পণ্য খালাস করে দেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সি অ্যান্ড এফ এজেন্টরা।

দেশের আমদানি রপ্তানির চাকা সচল রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন সি অ্যান্ড এফের সদস্যরা। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সকল সি অ্যান্ড এফ এজেন্টদের টিকাদানের আওতায় আনার দাবি জানাই। এ খাতকে সরকারিভাবে ফ্রন্টলাইনার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেকেই।

এতদিন টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশনের সর্বনিন্ম বয়স সীমা ৪০ বছর ছিল। সম্প্রতি তা ৩৫ বছর করা হলেও সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। এ খাতের অনেকের বয়স ৩৫ এর নিচে হওয়ার বিশেষ কোটায় টিকা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছি। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকারের রাজস্ব বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে পেশার স্বার্থে এ মানবতা সম্পর্কিত হলেও, দায়িত্বপালনরত ফ্রন্টলাইনাররা তাঁদের প্রাপ্তির চেয়ে সেবাদানের ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন বেশি। আর তাই সরকার সি অ্যান্ড এফ এজেন্টদের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে বলেই বিশ্বাস করি।

লেখক: মো: বেলায়েত হোসেন, কাস্টমস সম্পাদক, ঢাকা কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশন

আরো পড়ুন- এক নজরে সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট