সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জে কনস্টেবলে চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণায় একজন গ্রেফতার। বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক মাননীয় (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, বিপিএম(বার) মহোদয় দূর্নীতি মুক্ত পুলিশ কনস্টেবল নিয়ােগে একটি নতুন পদ্ধতি চালু করেছেন।

নতুন নিয়মে পুলিশ কনস্টেবল নিয়ােগ সংক্রান্ত পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিতকরণ এবং সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ভিডিও ফুটেজ তৈরি করে টিভি চ্যানেল, ইউটিউব, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ সব ভিডিও গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল জায়গায় ডিজিটাল ডিসপ্লে বাের্ডের মাধ্যমে প্রচার ও প্রচারণা করা হয়েছে।

এতদসত্ত্বেও কিছু লোক নিয়ােগের কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল। এরকম একটি গােয়েন্দা তথ্য প্রাপ্তির পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে উল্লাপাড়া থানা এবং ডিবি, সিরাজগঞ্জের যৌথ অভিযান চালিয়ে উল্লাপাড়া থানাধীন রামকান্তপুর দাসপাড়া হতে মােঃ সেলিম রেজা, সেলিম ড্রাইভার (৪০), পিতা-মােঃ শাহজাহান আলী, সাং- রামকান্তপুর দাসপাড়া, থানা- উল্লাপাড়া, জেলা-সিরাজগঞ্জকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তির বাড়ীতে তল্লাশি করে : 

১। নগদ ১,৪৫,০০০/-, ২। বিভিন্ন ব্যাংকের স্বাক্ষরিত ফাঁকা চেকের পাতা ১২ টি, ৩। ১৫ জনের ১৫টি এসএসসি/সমমান পরীক্ষার সার্টিফিকেট, ৪। ৩৯টি বিভিন্ন লােকের স্বাক্ষরিত ১০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্প, ৫। বিভিন্ন কোম্পানির ১৯ টি মােবাইল সিম কার্ড, ৬। ১০ জনের ১০টি বাংলাদেশ আর্মি সৈনিক রিক্রুটমেন্ট এর এডমিট কার্ড উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মােঃ সেলিম রেজার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

সিরাজগঞ্জে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সংক্রান্তে পুলিশ সুপার জনাব হাসিবুল আলম, বিপিএম সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় পুলিশ সুপার বলেন, আটককৃত ব্যক্তি বিভিন্ন লােকজনকে পুলিশ ও সেনা বাহিনীতে চাকুরী দেয়ার নাম করে টাকা আত্মসাৎ করে আসছে। এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। সিরাজগঞ্জসহ আশপাশের জেলায় আরাে ৮/৯ জন উক্ত প্রতারক চক্রের সাথে জড়িত। তদন্ত পূর্বক তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

এ সময় জনাব মোঃ নুর আলম সিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ), জনাব মোঃ শরাফত ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), সিরাজগঞ্জসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।