Jasad

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সার্চ কমিটি সাংবিধানিক সংস্থা থেকে হওয়াই বাঞ্ছনীয় বলে মনে করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ। বুধবার বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সংলাপে রাষ্ট্রপতিকে এমন অভিমত জানিয়ে এসেছে। তবে দলটির পক্ষ থেকে কোনও নাম প্রস্তাব করা হয়নি।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রায় সোয়া ঘণ্টাব্যাপী সংলাপ শেষে বঙ্গভবনে থেকে বেরিয়ে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এর আগে বিকেল ৪টায় সংলাপ শুরু হয়।

জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে গত সোমবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসি গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ শুরু হয়।

সার্চ কমিটিতে কারো নাম প্রস্তাব করেছেন কিনা জানতে চাইলে জাসদ সভাপতি বলেন, ‘আমরা বলেছি সার্চ কমিটি সাংবিধানিক সংস্থা থেকে হওয়াই বাঞ্ছনীয়। আমরা সেখানে পরিষ্কার বলেছি আপিল বিভাগের বিচারপতি, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্মকমিশনের প্রধানসহ সার্চ কমিটি গঠন করার জন্য।

এ জন্য আমরা জাসদের তরফ থেকে কোনও নাম প্রস্তাব করাটা সমীচীন মনে করিনি। একজন নারী ও একজন অধ্যাপকের যে সার্চ কমিটিতে থাকার কথা, সেক্ষেত্রেও আমরা কোনও নাম প্রস্তাব করিনি। আমরা মনে করি মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই দুইজন মনোনয়ন দেবেন।

ইনু বলেন, ‘জাসদসহ রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচন কমিশন গঠনের সংলাপে ডাকায় আমরা রাষ্ট্রপতিকে সাধুবাদ জানিয়েছি। এই পদ্ধতিটি নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য অংশগ্রহণমূলক হবে। একটি দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করতে রাষ্ট্রপতির সাহায্য হবে।

‘আমরা বলেছি, সংবিধানের নির্দেশ অনুসারে একটা আইনি কাঠামো না থাকায় তুলনামূলকভাবে একটি সার্চ কমিটির মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন ভালো উদ্যোগ।

‘তৃতীয়ত, আমরা বলেছি যে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে পাঁচ বছর পর পর যে বিব্রতকর অবস্থা হয় তার স্থায়ী সমাধানের জন্য রাষ্ট্রপতি যেন তার ভূমিকা গ্রহণ করেন। ভবিষ্যতে একটি আইনি কাঠামো গ্রহণ করার জন্য উনি যেন সরকারকে উপযুক্ত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন।’

এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে প্রবেশ করে জাসদের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন- জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাধারণ সম্পাদক শিরীন আক্তার, কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট রবিউল আলম, স্থায়ী কমিটির সদস্য মীর হোসাইন আখতার, মোশাররফ হোসেন ও রেজাউল করিম তানসেন।