সরকারি টাকায় অবৈধ স্থাপনা

মৌলভিবাজারের রাজনগর উপজেলার ৩নং মুন্সিবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ছালেক মিয়াকে সরকারি টাকায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার  স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয় ইউনিয়ন পরিষদের নামে অধিগ্রহণকৃত ভূমিতে নির্মিত কামারপট্টি টিনশেড প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি টাকা ব্যয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মানের অভিযোগ স্থানীয় তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় এবং মৌলভিবাজারের জেলা প্রশাসক ছালেক মিয়ার বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন।

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছালেক মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়।কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়- ‘স্থানীর সরকার আইন ২০০৯ এর ৩৪(৪) (খ) ও (ঘ) এর অপরাধ সংঘটিত করার অপরাধে কেনো আপনার পদ হতে চূড়ান্তভাবে অপসারন করা হবেনা তার জবার পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসক, মৌলভিবাজার এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্ররণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো’।

সরকারি টাকায় অবৈধ স্থাপনা নির্মানের বিষয়টি নিয়ে দেশ সমাচারকে ইউপি চেয়ারম্যান ছালেক মিয়া জানান, আইনগতভাবেই বিষয়টি মোকাবেলা করবো। ইউএনও’র অনুমতি নিয়েই স্থাপনা তৈরি করেছি। আমি অন্যায় করিনি, ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছি।

রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াঙ্কা পাল দেশ সমাচারকে বলেন, সাবেক রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমোদক্রমেই তিনি স্থাপনা করছিলেন তবে কিছু অংশ অবৈধভাবে বাজারের জায়গায় করেছিলেন। সেটি তিনি না জানিয়েই করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তখনকার ইউএনও একটি রিপোর্ট দিয়েছিলেন, ১ বছর পর আমরা তদন্ত করে দেখেছি তিনি অবৈধ জায়গায় গড়ে তোলা স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলেছেন। মন্ত্রণালয়ে দুটি রিপোর্টই গিয়েছে কোনটির উপর ভিত্তি করে এটি করা হয়েছে সেটি বলতে পারছিনা।

তবে বর্তমানে বাজারের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নেই বলে জানান প্রিয়াঙ্কা পাল।

আরো পড়ুন- সর্বাত্মক লকডাউন বাড়বে কিনা সিদ্ধান্ত আজ