৩ ম্যাচ সিরিজের শেষদিনের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ছুঁড়ে দেয়া ২৮৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করে মাত্র ১৮৯ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচ হারলো বাংলাদেশ। ৯৭ রানের এই হারের জন্য ব্যাটারদের ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। এর মাধ্যমে দেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইট ওয়াশের স্বপ্ন পূরণ হলো না বাংলাদেশের। তবে ম্যাচ হারলেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করেছে বাংলাদেশ।

টসে জিতে অধিনায়ক কুশল পেরেরার ১২০ রানের ইনিংসের উপর ভর করে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে লঙ্কাবাহিনী। জবাবে লঙ্কানপেসার দুশ্মন্ত চামিরার তোপের মুখে ২৮ রানের মধ্যেই টপ অর্ডারের তিনজন ব্যাটসম্যানকে হারানো বাংলাদেশ নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে হারাতে অবশেষে ৪৫ বল বাকি থাকতেই থেমে যায় ১৮৯ রানে।

মিডল অর্ডারে নেমে মোসাদ্দেক হোসেন আর মাহমুদুল্লাহ যদিও কিছুটা লড়াই করেছেন, কিন্তু স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং এর জবাবে বিশাল লক্ষ্যের সামনে তা যথেষ্ট ছিল না।

মোসাদ্দেক ৫১ এবং শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হবার আগে মাহমুদুল্লাহ করেন ৫৩ রান। চামিরা ১৬ রানে নেন ৫ উইকেট।
শ্রীলঙ্কা: ৫০ ওভারে ২৮৬/৬ (কুশল পেরেরা ১২০, গুনাথিলাকা ৩৯, পাথুম ০, মেন্ডিস ২২, ডিকবেলা ৭, ডি সিলভা ৫৫, হাসারাঙ্গা ১৮, রমেশ ৮ ; সাকিব ১০-০-৪৮-০, মিরাজ ১০-০-৪৮-০, মুস্তাফিজ ১০-০-৪৭-০, তাসকিন ৯-০-৪৬-৪, শরিফুল ৮-০-৫৬-১, সৈকত ৩-০-৩২-০)।

বাংলাদেশ : ৪২.৩ ওভারে ১৮৯/৬ (তামিম ১৭, নাঈম ১, সাকিব ৪, মুশফিক ২৮, সৈকত ৫১, মাহমদউল্লাহ ৫৩, আফিফ ১৬, মিরাজ ০, তাসকিন ০, শরিফুল ৮, মুস্তাফিজ ০; ডি সিলভা ৪-০-১৪-০, চামিরা ৯-১-১৬-৫, হাসারাঙ্গা ১০-০-৪৭-২, রমেশ ৭-০-৪০-২)।

ফল : ৯৭ রানে জয়ী শ্রীলঙ্কা।

সিরিজ : ২-১ ব্যবধানে জিতল বাংলাদেশ।