দেশের রফতানি খাত করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। গত অক্টোবর মাসে রফতানি হয়েছে ৪৭২ কোটি ৭০ লাখ ৫০ হাজার ডলার সমমূল্যের পণ্য। দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। একক মাস হিসেবে এতো বেশি রফতানি আয় আর দেশে আসেনি। যাকে একক মাসে রেকর্ড আয় বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইপিবির তথ্য বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে অর্থাৎ জুলাই-অক্টোবর সময়ে ১ হাজার ৫৭৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি।

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলারের মূল্য বৃদ্ধির ফলে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদিত পণ্যের দামও বেড়েছে।

ফাইল চুরির ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রীফাইল চুরির ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ইপিবির তথ্যানুযায়ী, তৈরি পোশাকের উপর ভর করেই দেশের রফতানি বাড়ছে। অক্টোবরে পোশাক রফতানি থেকে মোট ১১৬২ কোটি ১১ লাখ ডলার (৯৮ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা) দেশে এসেছে, যা মোট রফতানির ৮০ দশমিক ১৩ শতাংশ। অর্থবছরের চার মাসে পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ দশমিক ৭৮ শতাংশ। তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা বলছেন, কোরবানির ঈদের ছুটি এবং লকডাউনের কারণে ১০-১১ দিন পোশাক কারখানা বন্ধ থাকায় জুলাই মাসে রফতানি আয় কম এসেছিল।

১ আগস্ট থেকে পুরোদমে কারখানায় উৎপাদন চলছে, প্রচুর অর্ডার আসছে। এজন্য রফতানির আকারও বেড়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান গন্তব্য ইউরোপ-আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। মানুষ আগের মতো কেনাকাটা করছেন। সে কারণে অর্ডারও বেড়েছে। আগামী ডিসেম্বরে বড়দিনকে কেন্দ্র করে এবার কারখানাগুলো ভালো অর্ডার পাচ্ছে।