বঙ্গবন্ধু বিপিএলে প্রথম দেখায় রাজশাহী রয়্যালসকে ৪৭ রানে হারিয়েছিল রংপুর রেঞ্জার্স। সেই রংপুরকে এবার ৩০ রানে হারিয়ে বদলা নিয়ে নিল রাজশাহী। এ জয়ে ৯ ম্যাচে ৬ জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে তারা।

অন্যদিকে, সমান ম্যাচে সমান জয়ে পয়েন্ট সমান হলেও নেট রানরেটে পিছিয়ে থাকায় দুই নম্বরে আছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। তিনে খুলনা টাইগার্স আর চারে আছে ঢাকা প্লাটুন।সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১৮০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৯ রান তুলতে সক্ষম হয় রংপুর। এ জয়ে প্লে-অফের পথে একধাপ এগিয়ে গেল আন্দ্রে রাসেলের রাজশাহী।

১৮০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ২ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন। এছাড়াও ঝড় তুলতে গিয়েও বেশিদূর এগোতে পারেননি ক্যামেরুন ডেলপোর্টও। ৭ বলে ২ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ১৪ রান করেন তিনি। অন্যদিকে নাইম শেখ ১৮ বলে ২টি করে চার ছক্কায় ২৭ রানে আউট হন।

চতুর্থ উইকেটে টম অ্যাবেলকে নিয়ে ৪৬ বলে ৬৪ রানের এক জুটিতে রংপুুরকে লড়াইয়ে ফেরান ফজলে মাহমুদ। কিন্তু তিন বলের ব্যবধানে এই জুটির দুই ব্যাটসম্যানকেই হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে যায় ওয়াটসনের দল। ২৪ বলে ২৯ রান করে আউট হন অ্যাবেল, পরের ওভারে ফিরে যান ফজলে মাহমুদও। ২৬ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৩৪ রান করা এই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরের পথ দেখান নওয়াজ। রাজশাহীর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৪৯ রানেই থামে রংপুর রেঞ্জার্সের ইনিংস।

শোয়েব মালিক, মোহাম্মদ নওয়াজ আর কামরুল ইসলাম রাব্বি নেন ২টি করে উইকেট।

এর আগে আফিফ হোসেন ধ্রুব, শোয়েব মালিক, রবি বোপারাদের ব্যাটে চড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় রাজশাহী।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল রাজশাহী। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৪.৫ ওভারে ৫১ রান যোগ করেন আফিফ ও লিটন দাস। তবে দুজনের কেউই ব্যক্তিগত ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। লিটন ১৫ বলে ১৯ এবং আফিফ মাত্র ১৭ বলে করেন ৩২ রান।

এরপর ইরফান শুক্কুর ২০ বলে ২০ ও শোয়েব ৩১ বলে ৩৭ রান করলে খানিক স্লথ হয়ে আসে রাজশাহীর ইনিংস। তবে শেষদিকে ঝড় তোলেন রবি বোপারা। মুস্তাফিজুর রহমানের করা শেষ ওভার থেকেই ৪টি চারের মারে নেন ২২ রান।

যার সুবাদে ১৭৯ রানের সংগ্রহ পায় রাজশাহী। মাত্র ২৯ বলে ৫০ রান অপরাজিত থাকেন বোপারা। নিজের ইনিংসে ইংলিশ এই অলরাউন্ডার ৪টি চারের সঙ্গে হাঁকান ৩টি ছক্কা।

রংপুরের পক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান নেন ২ উইকেট। এছাড়া আরাফাত সানি ও মোহাম্মদ নবীর ঝুলিতে যায় ১টি করে উইকেট।