আমাদের শরীর প্রতিদিন সুস্থ রাখতে দৈনন্দিন ফল খাওয়া খুব জরুরি। কারন ফলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন। কিন্তু বাজারে ফলের অতিরিক্ত দামের কারনে আমরা প্রতিদিন খাওয়ার সুযোগ পাই না । ফল খওয়ার সময় আমরা কিছু ফলের ভেতরের অংশ উপকারী ভেবে অনেকেই খোসা ফেলে দেন। কিন্তু শাঁসের মতো ফলের খোসায়ও নানা রকমের পুষ্টিগুণ থাকে-

আপেল : আপেলের খোসায় থাকা ট্রিটেরপর্নোইডস ক্যানসার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এতে থাকা আর্সলিক অ্যাসিড শরীরের মাংসপেশিতে মেদ জমতে দেয় না। আপেলের বেশির ভাগ ফাইবার থাকে এর খোসাতে। ফাইবার দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং অন্যান্য খাবারের প্রতি আগ্রহ কমায়। হাড় ও লিভার সুস্থ রাখতেও ফাইবার সহায়ক।

কলা : কলার খোসায় লুটেইন নামক উপাদান আছে, যা চোখের জন্য দারুণ উপকারী। মুখে বা শরীরে যে কোনো অংশে চুলকানি বা ফোঁড়া হলে সেই অংশে হালকা করে ঘষলে অথবা পোকামাকড় কামড়ালেও কলার খোসা লাগালে উপকার মেলে।

কমলা : ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমাতে এবং ঘরের স্যাঁতসেঁতে ভাব কাটাতে কমলার খোসা বেশ কার্যকর। প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করতেও এটি সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান ব্রণের সমস্যা দূর করে।

তরমুজ : তরমুজের খোসায় থাকা সিট্রুলিন উপাদান ফ্রি রেডিকেল দূর করতে ভালো কাজ করে। এটা অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিবর্তিত হয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হৃৎপিণ্ড সুরক্ষায় কাজ করে এবং শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। তবে ফলটির একেবারে বাইরের সবুজ অংশ যা বাকলের সঙ্গে যুক্ত থাকে সেটা খাওয়া ঠিক নয়। এতে পেটে সমস্যা হতে পারে।

আরও পড়ুন:- কর্মক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন

বেদানা : কাশি বা গলাব্যথা হলে গরম পানিতে বেদানার খোসার গুঁড়া দিয়ে কুলকুচি করলে আরাম মেলে। এই পানি দাঁতের ও মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা দূর করতেও সহায়ক। এ ছাড়া এই গুঁড়ো গোলাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বক উজ্জ্বল হয়।