যমুনা নদীর ভাঙনে বিলীন

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে স্থাপনাসহ পাঁচ শতাধিক বাড়িঘর ও ২ হাজার বিঘার ফসলি জমি যমুনা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।

ইউনিয়নগুলি হলো- বাঘুটিয়া, খাসপুখুরিয়া, ঘোরজান, স্থল ও উমারপুর। গ্রামগুলি হলো- শাকপাল, উত্তর খাসপুখুরিয়া, দক্ষিণ খাসপুখুরিয়া, রেহাইপুখুরিয়া, চর নাকালিয়া, চর বিনানুই, হাটাইল, চর সলিমাবাদ, দক্ষিণ চর সলিমাবাদ, ভূতের মোড়, মেটুয়ানি, আরমাশুকা, বীর বাউনিয়া, খাসপুখুরিয়া, ঘাগুটিয়া, চৌবাড়িয়া, হাপানিয়া, চর সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া সহ ২০টি গ্রাম।

এদিকে ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যকরী ব্যবস্থা না নেওয়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই ভাঙন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে যমুনা পাড়ে মিছিল, মিটিং ও মানববন্ধন করেছে।

এ বিষয়ে কথা বলেন বীর বাউনিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম, তিন জানান, এ বছর বর্ষা মৌসুম শুরুর পর থেকেই চৌহালী উপজেলার এ ৫টি ইউনিয়নে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়। এরই মধ্যে শতাধিক বাড়িঘর, ২ হাজার বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। ভাঙন আতঙ্কে মানুষ বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছে। অথচ এ ভাঙন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে এ সব এলাকার শত শত ঘরবাড়ি, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা ও ফসলি জমি একের পর এক যমুনা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে এ উপজেলার অন্তত ১০ হাজার মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। নিরুপায় হয়ে তারা আন্দোলন শুরু করেছে।

আরও পড়ুন- তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, প্লাবিত কয়েকটি জেলা

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, চৌহালীর ভাঙন রোধে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে। তারা এ বিষয়ে কি ব্যবস্থা নিয়েছে তা তারাই ভালো বরতে পারবে।