মাজহারুল আলম (1)

‘Education’ এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো ‘শিক্ষা’ যা অর্জনরে মাধ্যমে একজন মানুষ নিজেকে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে। মানুষ হিসেবে নিজেকে বিকষিত করতে চাইলে শিক্ষা অর্জন করা অপরিহার্য। তখন নিজেকে দাবি করা সম্ভব শিক্ষিতজন বলে। অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে যেমন নিজের উপর আত্নবিশ্বাস কাজ করে তেমনি তা অন্যজনকে শেখানোর মাধ্যমে হৃদয় মাঝে প্রশান্তির আবছায়া দেয় অন্যরকম আত্নতৃপ্তি।

শিক্ষা আর্জনের মাধ্যমে তৈরী হয় সচেতনতা। তখনই ধীরে ধীরে সৃষ্টি হতে থাকে শিক্ষা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ এ সমাজের জন্য। শিক্ষা প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পায় ‘প্লেটোর একাডেমি’ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। আর একটি অন্যতম মাধ্যম ‘এরিস্টটলের লাইসিয়াম’।

জানা দরকার শিক্ষা অর্জনের আর কোনো মাধ্যম কী নেই? হ্যা, আছে। ধর্মীয় শিক্ষা এবং মনুষ্য রচিত বা মানবমনের চিন্তা ও মনশীলতার মাধ্যমে গড়ে ওঠা বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা। তবে এর প্রাতিষ্ঠানিক অনেকগুলো স্তর আছে যার সবগুলোই কেউ না কেউ শেষ করে থাকে।

“শিক্ষা আর্জন করব এবং শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত রাখব তবেই জীবন থেকে সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা নিবে ছুটি”

যদি একাগ্রতা ও নিষ্ঠার সাথে কেউ সে স্তরগুলো সম্পূর্ণভাবে শেষ করতে পারে তাহলেই সমাজে শিক্ষিতজন হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে পারবে। শিক্ষা অর্জনের অনেক মাধ্যম রয়েছে। শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে মানবমনের অনুর্বরতা উর্বরতায় ভরে উঠে। সৃষ্টি হয় মনুষ্যত্ব নামক উর্বর বীজের যার ফলে সমাজ আপনাকে ভালো মানুষের তালিকায় রেখে দিবে আর ভালো কাজের মাধ্যমে অমর হয়ে থাকবেন এ মনুষ্য সমাজে।

এরজন্যই বলতে হয় শিক্ষা অর্জনের বিষয়ে এখন সবাই এবং সব পিতামাতাই সচেতনতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে প্রতিটি ক্ষেত্রে। সবাই চায় সুশিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে সমাজ সেবায় বা কল্যাণমূলক কাজে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে। শিক্ষা নামক প্রত্যয়টি নিয়ে কোনো কথা বলছি? সমার মাঝে প্রশ্ন হতে পারে। কারণ এ যে বাধ্যতামূলক সবার জন্য। মানুষ হয়ে জন্মায় সবাই তারপর ও মানুষ হতে হয়।

আরো পড়ুন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তৈরি করে নিতে হয় নিজেকে যা সম্ভব সুশিক্ষা অর্জনের ফলে। একজন মানুষ যেন মূল্যবোধ নিরপেক্ষ,  নিষ্ঠাবান এবং সততায় নিজের ব্যক্তিজীবনকে সাজিয়ে তুলতে পারে। বারবার বলছি শিক্ষা লাভ করতেই হবে তাহলে সৃষ্টি হবে ভালো মানুষের। তাই সাবই যেন তাদের ছেলে মেয়েদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে পারে। এরজন্য তাদের সবসময় সচেষ্ট ভূমিকা পালনে সোচ্চার থাকতে হবে। কারণ শিক্ষা বিফলে যায় না যে জাতি যত বেশি উন্নত সে জাতি তত বেশি শিক্ষিত। মূল্যবোধ তৈরি, মনুষ্যত্ব বিকাষে শিক্ষার মূল্য অপরিমেয়।

“শিক্ষা হোক সবার জন্য যার ছায়াতলে বিকষিত হবে অনুর্বর হৃদয়, সৃষ্টি হবে ভালোবাসা , অত্নসংযম , পরোপকারীতা ও  ন্যায়-অন্যায়ের মাঝে তফাত কোথায় তাও বাকি থাকবে না এ মনুষ্য চিত্তে”

এই শিক্ষা অর্জন করতে কত কষ্টের গ্লানি সয়ে যেতে হয় তা বলে শেষ করা যাবে না। প্রতিটি সন্তানদের জন্য বাব-মা সবসময় করে যায় অক্লান্ত পরিশ্রম। কারণ তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফুুুটাবে। আর তাই বাবা-মা কখনো কার্পন্য করে না। নিজেদের মনশীলতা, চিন্তাচেতনা, ভালোমন্দ বিচার করার ক্ষমতা অন্যান্যজন থেকে একটু আলাদা করে ভাবতে পারা এবং সব শ্রেনির মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলা এসবের বহি:প্রকাশ কিন্তু সুশিক্ষা অর্জনের ফলে হয়ে থাকে।

আমার এ ইচ্ছে একদিন ফলপ্রসূ হবে। জানেন, ইচ্ছে হলো আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬.৪৭ কোটি। পরিমাপ সূচকে জনসংখ্যার দিক দিয়ে অষ্টম পর্যায়। এ জনসয়খ্যার সবাই শিক্ষা অর্জনের সক্ষমতা রাখে ঠিক তা নয়। কিন্তু যদি পরিবারের একজন বা দুজন করে শিক্ষানুরাগী বা শিক্ষা অর্জন করতে পারে তাহলে আমার ইচ্ছে পাবে পরিপূর্নতা।