ঝগড়া করা মন ভালো রাখার মতো কোনো কাজ নয়। বেশিরভাগ মানুষই তা এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু কখনো কখনো ঝগড়া এড়ানো সম্ভব হয় না। কারণ আমাদের প্রত্যেকের আলাদা মত, আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। তাই নিজের মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে বা অন্যের মতামত মানতে না চাইলে ঝগড়া অনিবার্য হয়ে পড়ে।

ঝগড়ার পরে মন ভালো করার কিছু উপায় জেনে নিন :

গোসল করে নিন : 

ঝগড়ার পর আপনি একা একা কান্না করতে পারেন, নিজের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। যেভাবে আপনার বদ্ধ অনুভূতিগুলো প্রকাশ করা যায়, সেভাবেই প্রকাশ করুন। এরপর হালকা গরম পানিতে গোসল সেরে নিতে পারেন। এর ফলে এক ধরনের সতেজ অনুভূতি পাবেন।

পছন্দের খাবার খান : 

মন ভালো করার আরেকটি উপায় হতে পারে পছন্দের খাবার খাওয়া। আপনার নিশ্চয়ই কোনো না কোনো পছন্দের খাবার আছে? অর্থাৎ আপনি যে খাবারগুলো খেতে ভালোবাসেন সেগুলো পেটপুরে খেয়ে নেবেন। দেখবেন মন আগের থেকে অনেকটাই শান্ত লাগছে।

কিছু সময় ভাবুন : 

ঝগড়ার পরে মন অশান্ত না রেখে কিছুক্ষণ ভাবুন। ঝগড়ার সময় যে ভুলভাল কথাগুলো আপনি বলে ফেলেছেন, সেগুলো ভেবে দেখুন। দ্বিতীয়বার এ ধরনের কথা বলতে না চাইলে মনকে বোঝান। ভেবে দেখুন, ঝগড়ায় আসলে কার ভুল বেশি ছিল? আপনিই বা কী ভুল করেছেন? হয়তো আপনাদের দুজনেরই পরস্পরের কথা শোনার প্রচেষ্টা বা ধৈর্য ছিল না।

ইগো ধরে রাখবেন না : 

বেশিরভাগ ঝগড়ার শুরুটা হয় মূলত ইগোর কারণে। আপনি যদি তাকে হারিয়ে ফেলতে না চান তাহলে তার কথা শুনুন। ইগোর কারণে পছন্দের মানুষটিকে হারিয়ে ফেললে পরে পস্তাতে হতে পারে। তাই ইগো ঝেড়ে ফেলে আপনিই না হয় আগে গিয়ে কথা বলুন। এতে মন শান্ত হবে।

সবকিছুতে যুক্তি খুঁজবেন না : 

ঝগড়ার সময় বলা বেশিরভাগ কথারই মাথা-মুণ্ডু থাকে না। তখন রাগের কারণে মানুষ অযৌক্তিক কথাই বেশি বলে। তাই ঝগড়ার পরে সেসব কথার মধ্যে যুক্তি খুঁজতে যাবেন না। মন শান্ত রাখুন। অন্যের বলা কথাগুলোর বদলে নিজের বলা কথাগুলো আরেকবার ভেবে দেখুন। আপনার কোন কথাগুলো অযৌক্তিক, সেগুলো সম্পর্কে ভাবুন।

আরো পড়ুন : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টাইমস্কেলসহ ৭ দফা দাবি