বিশ্বের ১১ শীর্ষ দর্শনীয় স্থান

বিশ্বের নানা কারণে বিভিন্ন দেশ পর্যটকদের কাছে টেনে থাকে। প্রতিটি দেশ অন্যান্য দেশের থেকে ভৌগলিক কারণে পৃথক। এ কারণেই পৃথক পৃথক ইতিহাস এবং দর্শনীয় স্থান রয়েছে প্রতিটি দেশের।

১. বেইজিং, চীন : এশিয়ার দেশ চীনের রাজধানী হচ্ছে বেইজিং । ইতিহাস সংবলিত এ শহরে রয়েছে বিস্ময়কর দ্যা গ্রেট ওয়াল। বিশ্বের সাম্রাজ্যময় প্রাসাদগুলির চমৎকার নিদর্শনও রয়েছে শহরটিতে। প্রাচীন সংস্কৃতি এবং আধুনিক সভ্যতার শহর বলা হয়ে থাকে এ শহরকে। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক মিলিয়ন দর্শনার্থী এবং পর্যটক এসে থাকেন শহরটি দেখার জন্য।

২. সান মিগুয়েল ডি অ্যালেন্ড, মেক্সিকো : উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় এক নিদর্শনের বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে সান মিগুয়েল ডি অ্যালেন্ড। এটি গুয়ানাজোয়াটো প্রদেশের কেন্দ্রীয় উচ্চভূমিতে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত। সৃজনশীল মানুষদের খুব টেনে থাকে নিদর্শনটি। মেক্সিকোর মুকুট রত্নগুলির মধ্যে অন্যতম হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে এই শহরটি।

৩. সিডনি অপেরা হাউজ, অস্ট্রেলিয়া : সিডনি অপেরা হাউজ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রধান সংস্কৃতি এবং পর্যটন স্থান । এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় মানব সৃজনশীল প্রতিভা এবং বিশ্বমানের পারফর্মিং আর্টস হিসাবে অন্তলিখিত হয়েছে।

৪. টোকিও, জাপান : এশিয়ার আরেকটি দেশ জাপানের বার্তমান রাজধানী টোকিও শহরটি একটি সময় দেশটির পৌরসভা এবং টোকিও-ফু-এর অংশ ছিল। ১ মে, ১৮৮৯ সাল থেকে ১ জুলাই, ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত প্রিফেকচারের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। টোকিও শহরের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো টোকিও’র ২৩টি বিশেষ ওয়ার্ডের দখলে।

৫. সেন্ট পিটার্সবার্গ, রাশিয়া : সেন্ট পিটার্সবার্গ মস্কোর উত্তর পশ্চিমে প্রায় ৪০০ মাইল (৬৪০ কি.মি) এবং আর্কটিক সার্কেলের প্রায় ৭° দক্ষিণে অবস্থিত। রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান শহর এটি। ঐতিহাসিক, সংস্কৃতি এবং স্থাপত্যের নিদর্শনগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হচ্ছে এই সেন্ট পিটার্সবার্গ শহর।

৬. ব্যাংকক, থাইল্যান্ড : ব্যাংকক হচ্ছে থাইল্যান্ডের থাই ক্রুং থিপ, শহর, রাজধানী এবং দেশটির প্রধান বন্দর। এটি দেশটির অসাম্প্রদায়িক একটি ছোট শহর। এই শহরই থাইল্যান্ডের সাংস্কৃতিক এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

৭. বার্সেলোনা, স্পেন : বার্সেলোনা শহর, সমুদ্রবন্দর এবং প্রোভিন্সিয়া (প্রদেশ) এর রাজধানী এবং কাতারোনিয়ার কমুনিদাদ অটোনোমা (স্বায়ত্তশাসিত সম্প্রদায়) এর ফরাসী সীমান্তের ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। শহরটি মূলত স্পেনের প্রধান ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং এর নিজস্বতা, সাংস্কৃতিক এবং ভৌগলিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত।

৮. দুবাই, আরব আমিরাত : আরব আমিরাতের রাজধানীর নাম দুবাই। ১৯৭১ সালে গ্রেট ব্রিটেনদের থেকে স্বাধীন হয়েছে দেশটি। শহরটির নামকরণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। সম্প্রতি এ শহরটি বিশ্বের অন্যান্য অগ্রগতির দেশগুলোর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছে।

আরও পড়ুন :-  চেক প্রজাতন্ত্র ভ্রমন

৯. কার্টেজেনা, কলম্বিয়া: কার্টেজেনা হচ্ছে অত্যন্ত সুন্দরভাবে রক্ষিত একটি ঐতিহাসিক শহর। কার্টেজেনার এই পুরাতন শহরটি নিজস্ব সৌন্দর্যতার জন্য ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটে স্থান পেয়েছে।

১০. শিকাগো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় জনবহুল শহর হচ্ছে শিকাগো শহর। এটি মিশিগান লেকের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭৬ মিটার উপরে ৬০ হাজার হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। প্রতিবছর আনুমানিক ৮৬ মিলিয়ন পর্যটক এসে থাকেন শহরটির বিভিন্ন দর্শনার্থী জায়গা পরিদর্শন করার জন্য।

১১. এডিনবার্গ, স্কটল্যান্ড : স্কটল্যান্ডের এই শহরটি উঁচু উঁচু প্রাচীন ভবনে ভরা। স্কটল্যান্ডের রাজধানী ১৩’শ বছরের পুরনো এবং এ শহরটি সংস্কৃতি ও ইতিহাস সংবলিত। এডিনবার্গে থাকা বিভিন্ন জাদুঘর পর্যটকদের কাছে স্কটল্যান্ডের সর্বাধিক জনপ্রিয় স্থানে জায়গা করে দিয়েছে।

Leave a Reply