পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ প্রক্রিয়ায় সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে এন্টিভাইরাল ও এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল ফেব্রিক্স নিয়ে এসেছে পুজিবাজারে অর্ন্তভূক্ত শতভাগ রপ্তানিমূখী কাপড় উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড। HeiQ Viroblock প্রযুক্তিতে প্রস্তুতকৃত এই কাপড় H1N1 (Human Influenza A), H5N1 (Avian Influenza A), H7N1 (2013 Influenza A Virus), করোনা ভাইরাস (২২৯) ও SARS-Cov-2 এবং RSV (Resipiratory Syncytial Virus) সহ অন্যান্য ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

এই প্রযুক্তিতে কাপড় উৎপাদনে এক ধরনের সিলভার কণিকা ব্যবহৃত হয়, যা এক প্রকার উচ্চ তরঙ্গের বর্ণালী তৈরি করে। ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া কাপড়ের সংস্পর্শে এলে এ উচ্চ তরঙ্গের বর্ণালীতে আটকা পড়ে কাপড়ে সংরক্ষিত সালফার গ্রুপের সাথে বিক্রিয়া ঘটায়। এক্ষেত্রে Fatty Vesicle বা লাইপোসম ত্বরণক হিসেবে কাজ করে মুহুর্তেই ভাইরাস ঝিল্লীকে ধ্বংস করে।

শুরুতে মাস্ক তৈরিতে ব্যবহৃত হলেও, বর্তমানে এই এন্টিভাইরাল ও এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল কাপড় তৈরিপোষাক উৎপাদনে ব্যবহৃত হচেছ। এই প্রযুক্তি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলে উৎপাদিত কটন ও লিলেন কাপড়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। শার্ট, জ্যাকেট, ট্রাউজার সহ সবধরণের তৈরিপোষাক উৎপাদনে এই কাপড় ব্যবহার সম্ভব। করোনা মহামারীর এই সময়ে, এই এন্টিভাইরাল ও এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল কাপড় প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ভবিষ্যত অগ্রযাত্রাকে আরো সমৃদ্ধ করবে বলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ মনে করেন।

নতুন প্রযুক্তি সমৃদ্ধ কাপড় উৎপাদনের জন্য প্রথম সারির বিদেশী ক্রেতারা ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড এর ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সাখাওয়াত হোসান বলেন, কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার ভ্যালু বৃদ্ধি এবং স্বার্থ সুরক্ষায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগকারিগণের কথা বিবেচনা করে পাওয়ার প্ল্যান্টে বিনিয়োগসহ বিএমআরই এবং নতুন ইউনিটে বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড। আগামীতে আরও নতুন নতুন প্রকল্প সংযুক্ত করে কোম্পানির প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করার আশা ব্যক্ত করেন জনাব সাখাওয়াত হোসান ।

এছাড়াও করোনার এই ক্রান্তি লগ্নে টেক্সটাইল শিল্পের অন্যতম সর্বোচ্চ লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানিগুলোর একটি হিসেবে ৩০শে জুন, ২০২১ইং সালের সমাপ্ত বছরের জন্য ২০% নগদ (শুধুমাত্র সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণের জন্য) এবং ৫% স্টক র্অথাৎ মোট ২৫% লভ্যাংশ প্রদানের জন্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের প্রতি সকলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং পরিচালকগণ ও উদ্যোক্তাগণ নগদ লভ্যাংশ না গ্রহণ করার মত মানবিক সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

কোম্পানির ভবিষ্যত সম্ভাবনা ও প্রবৃদ্ধি পর্যালোচনা করে বলা যায়, ভবিষ্যতে অনেক দেশী- বিদেশী এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর আগ্রহের শীর্ষে থাকবে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। বিজ্ঞপ্তি