বাধাঁকপি

এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ উপাদানের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ফোলেটসহ আরও অনেক কিছু

আসুন জেনে নিই বাঁধাকপি খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে—

১. প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে
দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ হৃদরোগ, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং প্রদাহজনক অন্ত্রের রোগসহ অনেক রোগের কারণ হতে পারে। বাঁধাকপিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় তা প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁধাকপি জাতীয় শাকসবজি খেলে তা রক্তের প্রদাহ কমায়।

২. ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
ভিটামিন সি শরীরের ফ্রি র‌্যাডিক্যাল দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে ক্যান্সারসহ অনেক দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দেয়। ২১টি গবেষণার বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, প্রতিদিন ১০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি গ্রহণ করলে তা ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে।  বাঁধাকপি ভিসামিন সির আঁধার।

৩. হজম শক্তির উন্নতি করে
বাঁধাকপিতে থাকা অদ্রবণীয় ফাইবার আপনার মলত্যাগে উৎসাহিত করে পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এ ছাড়া এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার বৃদ্ধি করে। আর এই ব্যাক্টেরিয়াগুলো ইমিউন সিস্টেমকে রক্ষা করে এবং ভিটামিন কে২ ও বি১২-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উৎপাদনে সহায়তা করে।

৪. হার্টকে সুস্থ রাখে
লাল বাঁধাকপিতে অ্যাস্থোসায়ানিন নামে একটি শক্তিশালী যৌগ থাকে। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে, এই রঙ্গক সমৃদ্ধ খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। ৯৩ হাজার ৬০০ নারীসহ একটি গবেষণায় গবেষকরা দেখেছেন যে, যারা অ্যান্থোসায়ানিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান, তাদের হার্টঅ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

৫. রক্তচাপ কমায়
বাঁধাকপি পটাশিয়ামের অন্যতম একটি ভালো উৎস। শরীরে সোডিয়ামের প্রভাব মোকাবিলা করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করা পটাশিয়ামের অন্যতম প্রধান কাজ। তাই বাঁধাকপি খেলে তা আমাদের রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।

৬. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়
সঠিক হজম, হরমোন নিয়ন্ত্রণ এবং ভিটামিন ডির সংশ্লেষণের মতো শরীরের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলো কোলেস্টেরলের ওপর নির্ভর করে। উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে শরীরে খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গিয়ে তা হৃদরোগের ঝুঁকি সৃষ্টি করে।