ফুসফুসের যত্নে ৪ খাবার

ফুসফুসের

স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বায়ুদূষণ সমস্যা হয় ফুসফুসের। শ্বাসকষ্টজনিত রোগকে কার্ডিওভাসকুলার রোগে পরিণত করতে পারে এই দূষণ। তাই ফুসফুস ভালো রাখতে যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। এজন্য যেসব খাবার খাওয়া উচিত সে বিষয়ে রইল কিছু পরামর্শ

মধু

প্রাকৃতিক মিষ্টি এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য জনপ্রিয় মধু। এটি শ্বাসকষ্ট কমায়। নিঃশ্বাস পরিষ্কার করতে এবং ফুসফুসের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও এটি সহায়ক। হালকা গরম পানিতে এক চামচ মধু ফুসফুস পরিষ্কার করার জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পেতেও সহায়তা করে।

হলুদ

শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার কারণে প্রদাহ এবং শ্লেষ্মা দূর করে হলুদ। রোগ প্রতিরোধ তৈরি করতে এবং শরীরকে ডিটক্সাইফাই করতে হলুদের জুড়ি নেই। এই উপাদানটির সক্রিয় যৌগ প্রাকৃতিকভাবে ফুসফুসকে পরিষ্কার করে। দুধ, তরকারি, সালাদে কাঁচা বা গুঁড়ো হলুদ ব্যবহার করতে পারেন।

আদা

সর্দি-কাশি নিরাময়ের ঘরোয়া পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় আদা। প্রদাহবিরোধী গুণাবলির জন্য এটি বেশি পরিচিত। শ্বাসনালি থেকে বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে সাহায্য করে আদা। এতে উপস্থিত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, বিটা ক্যারোটিন, জিংকের মতো ভিটামিন এবং খনিজ ফুসফুসের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। চা, সালাদ, তরকারি ইত্যাদিতে আদা যোগ করে খাওয়া যায়।

রসুন

রসুনে উপস্থিত অ্যালিসিন নামক শক্তিশালী যৌগটি অ্যান্টিবায়োটিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণ নিরাময়ে সাহায্য করে। এটি শ্লেষ্মা এবং শ্বাসকষ্ট দূর করতে সহায়তা করে। ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকিও হ্রাস করতে সাহায্য করে এই খাবার। রসুন হাঁপানি রোগীদের জন্য বেশ কার্যকর।

আরো পড়ুন- শীতে বায়ুদূষণ থেকে রক্ষা পাবেন যেভাবে

2 মন্তব্য

Leave a Reply