এবি ব্যাংক

বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক এবি ব্যাংক ২০১৯ সালে লক্ষ্যনীয় ব্যবসায়িক উন্নতি করেছে। ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের যোগ্য নেতৃত্বেন কারনে ২০১৮ সালের ৩৩.০৭ শতাংশ শ্রেণীকৃত ঋণ ২০১৯ শেষে কমে দাড়িঁয়েছে ১৮.২৮ শতাংশে। বছর শেষে ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা হয়েছে ৬৪৫ কোটি টাকা, যা আগের বছরের (৩০৮ কোটি টাকা) তুলনায় শতভাগেরও বেশি।

২০১৯ সালের সাময়িক বিরূপ পরিস্থিতিতেও আমানতকারিরা তাদের আস্থা রেখেছে ব্যাংকটির উপর। যে কারনে ২০১৮ সালের ২৩,৫৪৪ কোটি টাকার আমানত বেড়ে ২০১৯ শেষে দাড়াঁয় ২৭,৯৪৬ কোটি টাকায়। ব্যাংকটি বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত ঋণ আমানত হার যথাযথভাবে পরিপালন করেছে (৮৫ শতাংশের নিচে)। এছাড়াও, অন্যান্য তারল্য পরিমাপ- লিকুইডিটি কভারেজ রেশিও এবং নেট স্টাবল ফান্ডিং রেশিও সংরক্ষণেও ব্যাংক সফল হয়েছে।

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, ২০১৯ সালের হিসাব বিবরণী পর্যালোচনায় নিয়ে পাঁচ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে ঘোষণা করেছেন যা ব্যাংক এর ভিত্তিকে মজবুত করতে সহায়তা করবে।

এবি ব্যাংক শেয়ার হোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষায়ও বদ্ধ পরিকর। সামাজিক দায়বদ্ধতার দিক থেকেও ব্যাংকটি পিছিয়ে নেই, সর্বদাই পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠির পাশে দাড়িয়েছে। সরকার ঘোষিত আর্থিক নীতির ধারাবাহিকতায় ব্যাংক তার কর্মকান্ড আরও বেগবান করেছে। এই করোনা দুর্যোগেও ব্যাংকের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচরীরা গ্রাহকদের নিয়মিত সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।