নেত্রী

মেস ব্যবসার প্রতিবাদ করায় জবি এর অর্থনীতি বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য ফৌজিয়া আফরিন প্রিয়ন্তীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বোটানি বিভাগের ছাত্রী সামিরা মাহমুদ মিথীর চাচা পরিচয়দানকারী ‌খোরশেদ আলম মোহাম্মদ শুভর বিরুদ্ধে।

অভিযোগে ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়,  আমরা আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রী। গত মার্চ মাসের ১ তারিখে ৬১ নম্বর লক্ষ্মীবাজারের পাশে একটি বাসায় মেসে উঠি, সেখানে মেসের দায়িত্বে থাকা ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বোটানি বিভাগের ছাত্রী সামিরা মাহমুদ মিথী মেস ব্যবসার সাথে জড়িত এবং বিভিন্ন সময় মেস মালিক হিসেবে প্রভাব খাটিয়ে মেসের বিভিন্ন মেয়েদের সাথে শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন করে আসছে।

এক পর্যায়ে তিনি রেগে গিয়ে তার জের ধরে গত ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০ দিকে তার চাচা খোরশেদ আলম মোহাম্মদ (শুভ) সহ ৮/১০ জন সহস্র সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে এসে ধর্ষণের চেষ্টা শারীরিক অত্যাচার ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে,পরে বাড়ির মালিক এসে সামাল দেয়। অভিযোগে ফৌজিয়া আফরিন প্রিয়ন্তী দাবী করে সকল তথ্য প্রমাণ সাক্ষী ও ভিডিও তার হাতে আছে।

এ বিষয়ে ফৌজিয়া আফরিন প্রিয়ন্তী বলেন, ‘সামিরা মাহমুদ মিথী রাতে পাঁচ-ছয়জন পুরুষ এনে আমাকেসহ সবাইকে অকথ্য ভাষায় থ্রেট দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। তাছাড়া রাতে মেয়েদের পোশাক কেমন থাকে সবাই জানে। এটা আমাদের জন্য খুবই বিব্রতকর। তিনি আরও বলেন, মেয়েটির পক্ষে মেসের কোন সদস্য নেই। তার বিরুদ্ধে পুরাতন মেস ব্যবসার অভিযোগ আছে।