নেইমারের হাতে পিএসজির ফরাসি কাপ

নেইমার পিএসজি কাপ
ফাইল ছবি

চার মাস পর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে এই প্রথম খেলতে নেমেছিল পিএসজি। নেমেই অভিজ্ঞতা হলো অম্লমধুর। নেইমারের গোলে ১-০ গোলে ফরাসি কাপের ফাইনালে সেঁত এতিয়েনকে হারিয়েছে তারা। তবে চোটে পড়ে মাঠ থেকে খোঁড়াতে খোঁড়াতে বের হয়েছেন দলের আরেক তারকা স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পে।

দীর্ঘ বিরতিতেও পায়ে ধার কমেনি নেইমারের। তিন প্রীতি ম্যাচে চার গোল করা ব্রাজিলিয়ান তারকাকে নিয়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) কোচ টমাস টুখেল বলেছিলেন, ‘ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন নেইমার। কারণ ও সেরা ছন্দে রয়েছে।’ ফরাসি কাপের ফাইনালে পার্থক্য গড়ে দিলেন নেইমারই। শুক্রবার রাতে নেইমারের একমাত্র গোলে সেন্ট এতিয়েনকে ১-০ তে হারিয়েছে পিএসজি। প্রতিযোগিতার সফলতম দলটির এটি ত্রয়োদশ শিরোপা। টানা চারবার ফরাসি কাপ জয়ের পর গত বছরের ফাইনালে টাইব্রেকারে রেনের কাছে হেরেছিল পিএসজি। এক বছর পরই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পেল দলটি।

আরো পড়ুন- ১৯ সেপ্টেম্বর আমিরাতে শুরু হচ্ছে আইপিএল

২৭তম মিনিটে এমবাপ্পেকে মারাত্মক ট্যাকল করে বসেন এতিয়েন ডিফেন্ডার লোয়িচ পেরিন। ফাউলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দু’দলের খেলোয়াড়রা। বেঞ্চের ফুটবলারারও যোগ দেন। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন পেরিন। এই ঘটনায় হলুদ কার্ড দেখেন দু’দলের চার ফুটবলার। আর পুরো ম্যাচে ১০ জন।

মারাত্মক ওই ফাউলের পর আর মাঠে নামা হয়নি এমবাপ্পের। ম্যাচের শেষ দিকে ক্রাচে ভর করে চোখে জল নিয়ে ডাগআউটে আসেন ২১ বছর বয়সী এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। গোড়ালির এই চোটে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে এমবাপ্পের মাঠে নামা নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

পরবর্তীতে একাধিক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি পিএসজি। নেইমারের গোলটি শেষ পর্যন্ত ভাগ্য গড়ে দেয় ম্যাচের।

আরো পড়ুন- এশিয়া কাপ স্থগিত

1 মন্তব্য

Leave a Reply