নিউজিল্যান্ডে চলছে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ

নিউজিল্যান্ডে

শান্তির দেশ নিউজিল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে ভোট দিচ্ছেন লাখ লাখ ভোটার। এবারও জয়ের ব্যাপারে প্রত্যয়ী লেবার পার্টির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন

সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল নির্বাচন। কিন্তু নতুন করে করোনাভাইরাসের কারণে তা এক মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়।

শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় শুরু হয় ভোট। শেষ হবে সন্ধ্যা ৭টায়। যদিও এরই মধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষ আগে ভাগেই গত ৩ অক্টোবর ভোট প্রয়োগ করেছেন।

সাধারণ নির্বাচনের ভোট দেওয়ার পাশাপাশি দুটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোটও দিচ্ছেন নিউজিল্যান্ডবাসী।

জনমত জরিপ বলছে, প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছেন। তবে এখন বড় প্রশ্ন হ’ল তিনি সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা যদি অর্জন করবেন তবে তা নজিরবিহীন হবে। ১৯৯৬ সালে মিশ্র মেম্বার প্রোপোরেন্টাল রিপ্রেজেনটিভ নামে পরিচিত একটি সংসদীয় ব্যবস্থা চালু করার পর থেকে নিউজিল্যান্ডে কোনও দলই সুস্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় সবার আগে আসে ভোটাধিকারের কথা।

লেবার পার্টির মধ্যপন্থী বাম নেতা জেসিন্ডা দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, এই নির্বাচনে জিততে না পারলে দলের প্রধানের পদ থেকেও সরে দাঁড়াবেন তিনি।

এক জরিপে দেখা গেছে, অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে লেবার পার্টি। ৩১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে আছে রক্ষণশীল ন্যাশনাল পার্টি।

আরও পড়ুন :- মোদির বিরুদ্ধে নতুন জোট কাশ্মীরের নেতাদের

তবে প্রশ্ন হচ্ছে, জেসিন্ডা পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন কি-না এ ব্যাপারে বড় একটি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। কেননা ১৯৯৬ সালে নিউজিল্যান্ডে সংসদীয় মিক্সড মেম্বার প্রপোরশনাল (এমএমপি) শুরু হওয়ার পর কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

 

Leave a Reply