ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি
ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের নীতিগত অনুমোদন এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
 জোরালো দাবির মুখে আজ সোমবার মন্ত্রিসভায় আইন সংশোধনের প্রস্তাবটি পাশ হয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ সংশোধনের লক্ষ‌্যে সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা
এর আগে, রোববার এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার পর আইন সংশোধন করে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সংশোধিত আইনের খসড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুসারে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯৭৫টি ধর্ষণের অভিযোগ এসেছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতি মাসে শতাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, সমাজে প্রোথিত নারী-বিদ্বেষ, অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা ও পার পেয়ে যাওয়ায় সংস্কৃতির কারণেই কমছে না এ ধরনের অপরাধ। আর সেক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা নিতে হবে রাষ্ট্রকেই।
তারা আরো জানান, সামাজিক আন্দোলনের রাজনীতিকরণও অনেক সময় মূল উদ্দেশ্য আদায়ে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়।
আরও পড়ুন- কুষ্টিয়ায় ছাত্রী ধর্ষণ অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার গ্রেপ্তার
উল্লেখ্য, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। কিন্তু দেশে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনার পর ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবিতে শাহবাগ, মতিঝিলসহ রাজধানীর কয়েকটি স্থানে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলন করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানেও একই দাবিতে আন্দোলন হচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে সরকার ধর্ষণের শাস্তি বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়।

 

Leave a Reply