থাইল্যান্ডের

রাজতন্ত্র এবং সরকার বিরোধী আন্দোলন দমাতে থাইল্যান্ডে, জারি করা হলো জরুরি অবস্থা। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে সিদ্ধান্তটি কার্যকর হয়।

জানাজায়, দেশটির রাজপথে ৪ জনের বেশি মানুষ জমায়েত হতে পারবেন না। এছাড়া, আন্দোলন বা জরুরি অবস্থা সর্ম্পকিত খবর সম্প্রচার বন্ধে গণমাধ্যমের ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ হয়েছে।

বুধবার, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পুলিশ প্রশাসন ঘোষণা করে ডিক্রিটি। দাবি- আন্দোলনের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকিতে; বর্হিবিশ্বেও ক্ষুন্ন হচ্ছে থাইল্যান্ডের ভাবমূর্তি। ডিক্রি জারির পরও, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং রাজপ্রাসাদের বাইরে বিক্ষোভ করায়; আন্দোলনের প্রধান দুই আয়োজককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবারও আন্দোলনে যোগ দেন ১৮ হাজারের বেশি মানুষ। তাদের দাবি, সেনাপ্রধান থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে বসা প্রয়ুথ চান ওচাঁ সরকারের পদত্যাগ, সংবিধান পুর্নলিখন এবং রাজতন্ত্রের সংস্কার।

আরও পড়ুন :- মালয়েশিয়ার রাজপ্রাসাদের সব বৈঠক স্থগিত