থাইল্যান্ডের

পর্যটন খাত পুরোপুরি পুনরুদ্ধারে আরো পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে থাইল্যান্ডের। বিশ্বের অন্যতম ভ্রমণনির্ভর অর্থনীতির জন্য এটা অশুভ লক্ষণ। গতকাল দেশটির জাতীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন কাউন্সিল জানিয়েছে, এ খাত ২০২৬ সালের আগে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে না। এর আগে বিশ্লেষকরা দুই বছরের মধ্যে পুনরুদ্ধারের আশা করেছিলেন। খবর ব্লুমবার্গ।

কভিড-১৯ মহামারীর আগে ২০১৯ সালে প্রায় ৪ কোটি পর্যটক থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছিলেন। এ থেকে দেশটি ৬ হাজার কোটি ডলার আয় করেছিল। এরপর গত বছরের মার্চ থেকে দেশটিতে ভ্রমণ বন্ধ রয়েছে এবং আগামী মাসে টিকা নেয়া পর্যটকদের জন্য কিছু গন্তব্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

এদিকে দেশটির কাউন্সিল আরও জানিয়েছে, থাইল্যান্ডের জিডিপির পাঁচ ভাগের এক ভাগ আসে এ পর্যটন খাত থেকে। এ খাতের বিলম্বিত পুনরুদ্ধার ৭০ লাখের বেশি কর্মীকে প্রভাবিত করবে। এদের মধ্যে কিছু কর্মীকে অন্য খাতে চাকরি খোঁজার প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে মহামারী শুরুর পর টানা পঞ্চম প্রান্তিকে সংকোচনের মুখোমুখি হয়েছে থাই অর্থনীতি। এ প্রবণতা চলতি প্রান্তিকেও (এপ্রিল-জুন) অব্যাহত থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফুকেটের রিসোর্ট দ্বীপটি জুলাইয়ে পুনরায় উন্মুক্ত হওয়া প্রথম স্থান হবে। এরপর অক্টোবরে আরো ১০টি গন্তব্য খুলে দেয়া হবে। তবে চলতি বছর সরকার মাত্র পাঁচ লাখ দর্শনার্থী প্রত্যাশা করছে। এটা গত বছর ভ্রমণ করা ৬৭ লাখের তুলনায় সামান্য অংশ। যদিও এর মধ্যে বেশির ভাগ পর্যটকই ২০২০ সালের মার্চে সীমান্ত বন্ধের আগেই ভ্রমণ করেছিলেন।

জাতীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম তিন মাসে বেকারদের সংখ্যা ৭ লাখ ৫৮ হাজারে পৌঁছেছে। এছাড়া বর্তমান প্রাদুর্ভাব আরো মানুষকে বেকার এবং কাজের সময় কমিয়ে আনতে পারে।

আরো পড়ুন- পর্যটকদের জন্য কোয়ারেন্টিন তুলে নিচ্ছে আবুধাবি