ঢাবি অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজে আর কোনো জটিলতা থাকবে না বলে জানিয়েছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান। সম্প্রতি ঢাকা কলেজে সাত কলেজের বাণিজ্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, সাত কলেজের সমস্যাগুলো সমাধানে আমাদের বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। আমরা সমস্যাগুলো নিয়ে আরও মনোযোগী হচ্ছি। আমাদের কিছু জটিলতা নিরসন হয়েছে। বাকিগুলোর সমাধানের চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাত কলেজে আর কোনো ধরনের জটিলতা থাকবে না।

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, পরীক্ষায় সাধারণত উপস্থিতির হার এমনই থাকে। উপস্থিতি ভালো হয়েছে। এটি ঠিক গণপরিবহনের কারণে কিছুটা ভোগান্তি হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা আমরা করেছি। আমরা এটিও সবসময় পরামর্শ দিই গণপরিবহনেও যাতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের টার্গেট ফিলাপ করার জন্য অনেক বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হয়। কিন্তু এটি সত্ত্বেও তারা সেটি ওভারকাম করতে পারে। সেই শক্তি এবং সাহস আমাদের শিক্ষার্থীরা রাখে। আজ বুঝতে পারলাম তারা কীভাবে বাধা অতিক্রম করে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে যেতে পারে।

ধর্মঘটে পরীক্ষায় প্রভাব নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন নানা কারণে যদি পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয় সেটি আরেকটি ভোগান্তি নিয়ে আসবে। কারণ এখন শিক্ষার্থীরা একটা মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে। এই প্রস্তুতি একটা জাতিকে উপরের দিকে নিয়ে যায়।

আরো পড়ুন : জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় এবার ধর্মঘটে লঞ্চ মালিকরা

এমন প্রতিকূলতা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সামনের দিকে যেতে হবে। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও দেখেছি আমাদের শিক্ষার্থীরা নানা প্রতিকূলতার মধ্যে পড়ে এরপরও সাধারণ কার্যক্রম, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হওয়া এগুলো তারা সচল রাখে। কারণ এটা একটা জাতির মৌলিক বিষয় সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য শিক্ষার্থীরা প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করবে।

অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান আরও বলেন, আমরা প্রত্যাশা করবো জনদুর্ভোগ, জনভোগান্তি এগুলো যাতে না থাকে। এগুলো না থাকলে আমরা সুন্দরভাবে পরীক্ষাগুলো নিতে পারবো।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।