সাত কলেজে

ঢাকা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ – এই সাতটি কলেজ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়।

অধিভুক্ত হওয়ার পর সেশনজটের জটিলতায় পড়তে হয় সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের। এখনো সেশনজটের রেশ কাটেনি ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজে। সেশনজট আর করোনা অতিমারির কারনে আরও পিছেয়ে পড়েন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছিলেন, করোনা অতিমারির জন্য সাত কলেজ নয় দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকে পিছেয়ে পড়েছে।

এদিকে ঢাবি কতৃপক্ষ সাত কলেজের পরীক্ষা কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ফেব্রুয়ারীর ১৭ তারিখে ২০১৬/১৭ সেশনের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারন করেছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ঢাবি অধিভুক্ত ঢাকা কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুল হাসান দেশ সমাচারকে বলেন, “আমাদের পরীক্ষা আরও আগে নেওয়া দরকার ছিল। তাহলে আমরা দ্রুত চাকুরির পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারতাম।”

হাসিব আরও বলেন, অন্যদিকে ঢাবির শিক্ষার্থীরা দৃশ্যমানে রেজাল্ট দিয়ে বিভিন্ন চাকুরির পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ পাচ্ছে। যদি ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা শুরু হয় তা শেষ করে রেজাল্ট কবে যে হাতে পাবো সেটিও সংশয়ের বিষয়। পরীক্ষার ৩ মাস পর রেজাল্ট হওয়ার কথা কিন্তু রেজাল্ট দিতে ঢাবি কর্তৃপক্ষ সময় নেয় ৬/৭ মাসের ও বেশি। সাত কলেজ

এ সমস্যা নিরসনে ঢাবি কতৃপক্ষের জোরালো ভুমিকা পালন করা উচিত বলে জানান হাসিব। তিনি বলেন, আমাদের অনার্স শেষ করতে ৫ বছরেরও বেশি সময় লেগে যাবে যা খুবই হতাশাজনক। তবে আশাকরছি, খুব শিঘ্রই এ সমস্যা থেকে নিস্তার পাবে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা এমনটিই প্রত্যাশা করছেন ঢাকা কলেজের বাংলা বিভাগের ২০১৬/১৭ সেশনের শিক্ষার্থী হাসিবুল হাসান।