ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া মরা মুরগি সংগ্রহ করে খাবার হোটেলগুলোতে সরবরাহ করছিল অভিযোগে একটি চক্রকে আটক করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

এমন একটি হোটেলে গিয়েও মিলল মরা মুরগির স্তুপ, যেখানে কাস্টমারদের সেসব মরা মুরগি রান্না করে খাওয়ানো হচ্ছিল।

সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রেসিডেন্ট রোডে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকালে হোটেলে মরা মুরগি সরবরাহকালে হাতেনাতে ধরা পড়ে এই অপরাধচক্রের দুই প্রধান সদস্য তনু দাস ও জব্বার।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে অপরাধ স্বীকার করলে তনু দাসকে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে অভিযানকালে তনু দাসের সহযোগী জব্বার পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এরপর একই এলাকার মক্কা-মদিনা নামে একটি স্টোরকে ২০ হাজার ও হোটেলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে নগরীর বিভিন্ন হোটেলে মরা মুরগি সরবরাহ করে আসছিল স্বীকার করে ভ্রাম্যমান আদালতকে তনু দাস বলেন, আমি একজন ডোম। কাঁচাবাজারগুলোর মুরগি ব্যবসায়ীরা তাদের মরা মুরগিগুলো শহরের বিভিন্ন ডাস্টবিনে ফেললে জব্বারসহ এগুলো সংগ্রহ করি। এরপর এগুলো প্রেসিডেন্ট রোড এলাকায় ও চাষাঢ়া হকার্স মার্কেটের কয়েকটি খাবার হোটেলে বিক্রি করি। এ বাবদ হোটেল মালিকের কাছ থেকে দৈনিক ৫শ থেকে ৬শ টাকা করে পাই।

এভাবেই খাবারের হোটেলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে মরা মুরগি সরবারহ করে আসছিল বলে জানান তনু দাস।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযানে যৌথভাবে পরিচালনা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আক্তার ও আজিজুর রহমান।