জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

স্বাভাবিক ভাবেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এর শিক্ষা কার্যক্রমে সেশনজট লেগেই থাকে, সে অবস্থান থেকে গত বছর বিশবিদ্যালয় প্রসাসন জানায় সেশনজট সমস্যা থেকে মুক্ত হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ।

তবে সেই অবস্থান ধরে রাখার জন্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে এসেছে করোনা ভাইরাস । করোনা ভাইরাসের কারনে থমকে আছে শিক্ষা ব্যবস্থা , সেই সাথে স্নাতক পরীক্ষার পাশাপাশি নিয়মিত পরীক্ষাগুলো নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা ।এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

যদিও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলো তাদের ক্লাস গুলো অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে নেয়ার চেষ্টা করছে এবং অনেকেই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিক্ষা নেয়ার ও ব্যবস্থা করছেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নির্দেশনা অনুযায়ী কিছু ক্যাম্পাসে সীমিত আকারে অনলাইন ক্লাস শুরু হলেও বেশীরভাগ ক্যাম্পাসেই এখনো ক্লাস শুরু করতে পারেনি।

তাই এই সুযোগ টি পাচ্ছেনা দেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা , এমতাবস্থায় তাদের দিন কাটছে হতাশায়, অন্যদিকে আগামীতে দেশের চাকুরীর বাজার হবে আরো বেশী চ্যালেঞ্জিং । লম্বা সময় ধরে যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে তাহলে যেমন বড় আকারে সেশনজট লাগবে একইভাবে ভর্তির সময় ও তৈরি হবে জটিলতা ।

তবে করোনা ভাইরাস পরবর্তী সময়ে লাগাতার পরীক্ষা হবে বলে বিভিন্ন সুত্রে খবর পাওয়া গেলেও শিক্ষার্থীদের ক্লাসগুলো কিভাবে চলবে , কিভাবে হবে পরিক্ষা পদ্ধতি এখনো কিছুই জানেনা তারা।

অন্যদিকে অনলাইন ক্লাস পরিচালনার জন্যে যেসকল ক্যাম্পাস এখন পর্যন্ত ক্লাস শুরু করতে পারেনি সেসব বিষয়ে কোনো উদ্যেগ নেয়া হবে কিনা সে ব্যাপারেও নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি । 

এ প্রসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গগঠন “অনুপস” ( এ্যাসোসিয়েশন অব ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রফেশনাল স্টুডেন্টস ) এর প্রেসিডেন্ট রিয়াজ হোসাইন জানান –

সব মিলিয়ে আমরা একটু চিন্তিত আছি , একদিকে যেমন নিয়মিত পড়াশুনায় গ্যাপ অন্যদিকে অনলাইন ক্লাস নেয়ার জন্যে অধিকাংশ ক্যাম্পাস প্রস্তুত নয় ।

এমন অবস্থার দ্রুত সমাধান না হলে বেশ লম্বা একটা গ্যাপ তৈরি হবে শিক্ষার্থীদের সাথে , তাই যত দ্রুত অনলাইন ক্লাস গুলোর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম নিয়মিত করা যায় তাহলেই সমাধান সম্ভব ।

রিয়াজ হোসাইন, প্রেসিডেন্ট

এ্যাসোসিয়েশন অব ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রফেশনাল স্টুডেন্টস (অনুপস)