চিত্রনায়ক ইমন

  • পুনরায় কি ডাকবে বলেছে?

হ্যাঁ, ডাকতে পারে। তাঁরা বলেছেন, দরকার হলে আবার ডাকবেন। আমিও তাঁদের কথা দিয়েছি, যেকোনো সময় এ বিষয়ে আমাকে ডাকলেই তাঁদের সহযোগিতা করব। এ ছাড়া মাহির বিষয়েও বলেছেন তাঁরা। মাহি দেশে ফিরলে হয়তো তাঁর সঙ্গেও তাঁরা কথা বলবেন। তাঁর কাছেও এ বিষয়ে জানতে চাইবেন। কারণ, তাঁর সঙ্গেই ফোনে অশ্লীলভাবে কথা বলা হয়েছে।

  • প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার পর কেমন বোধ করছেন। চাপ কি বেড়েছে না হালকা লাগছে?

দুই দিন ধরে খুবই আপসেট ছিলাম। এসব বিষয়ে কারও সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলাম না। শেয়ারও করতে পারছিলাম না। ডিবি ও র‌্যাব কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের ব্যবহারে আমি মুগ্ধ! আমি যে দোষী নই, এ বিষয়ে আমার আগেই আত্মবিশ্বাস ছিল। তাঁদের সঙ্গে কথা বলার পর আমার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেছে। তবে ভয় নেই, মানসিক চাপ আছে এখনো।

কারণ, এখনো ফেসবুকে আমার ছবি ব্যবহার করে, স্ট্যাটাস লিখে যেভাবে আমাকে বিকৃত করা হচ্ছে। এ বিষয়গুলো আমাকে বেশি পীড়া দিচ্ছে। পরিচিতরাও কেউ কেউ আমাকে নেগেটিভভাবে উপস্থাপন করছেন। খুবই দুঃখজনক। তবে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে আমি যে আস্থা পেয়েছি, তাতে মানসিকভাবে শক্ত থাকার চেষ্টা করছি।

  • আপনার পরিবার বিষয়টি কীভাবে দেখছে?

আমাকে নিয়ে ফেসবুকে আজেবাজে মন্তব্য করা হচ্ছে। সেসব বিভিন্ন মাধ্যমে পরিবারে লোকজনের কাছে পৌঁছাচ্ছে। এ বিষয়ে তারা জানছে, দেখছে। তাদের কাছে বিষয়টি একেবারেই অপ্রত্যাশিত। কারণ, তারা আমাকে ভালোভাবেই চেনে-জানে। এ কারণে আমাকে মানসিক সাপোর্ট দিচ্ছে পরিবার। তবে আমার বাবা একটু বেশি ভেঙে পড়েছেন।

  • আপনি তো চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সম্পাদক। আপনার সমিতির কোনো ভূমিকা ছিল এ সময়?

না। ঘটনা ঘটার পর থেকে সমিতির ২১ সদস্যের একজনও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। কোনো খোঁজখবরও নেননি। মাথায় এত বড় চাপ নিয়ে আমি আমার মতো করে সামাল দিচ্ছি। সমিতির এমন আচরণ আমাকে হতাশ করেছে। খুব খারাপ লেগেছে।