আলোকিত ১১নং ইউনিয়নের ব্যবস্থাপনায় ও স্বপ্নতরী পাঠাগার এর উদ্যেগে ৩নং ওয়ার্ডের শীতার্তদের মাঝে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার রাতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১১নং চরদুঃখীয়া ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে অর্ধ শতাধিক শীতার্ত নারী ও পুরুষের হাতে কম্বল ও শীতবস্ত্র তুলে দেয় ফেসবুক ভিত্তিক সামাজিক সংগঠনটি।

প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে গভীর রাতে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে ঘুরে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা শীতবস্ত্র তুলে দেন। শীতার্ত মানুষগুলো কম্বল পেয়ে আনন্দ আপ্লূত হয়ে পড়েন। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যেগে আসন্ন ফ্রি মেডিকেল ও ফ্রি ব্লাড গ্রুপ ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণের জন্য মানুষদেরকে আমন্ত্রণ জানান। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে আলোকিত ১১নং ইউনিয়নের এই শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি আগামী দু তিন দিন চলমান থাকবে বলে স্বেচ্ছাসেবীরা জানান। এ বছর সংগঠনের উদ্যেগে ৫০০ দুঃস্থকে শীতবস্ত্র প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা জানান- মানবিক চেতনা ও নিজের নাড়ীর টানে ইউনিয়নের উন্নয়নে তারা ২০১৯ সালে আলোকিত ১১নং ইউনিয়ন নামের সংগঠন টি গড়ে তোলেন। সংগঠনটি ইতোমধ্যে অসহায় রোগীদের চিকিৎসা, ঠেঙ্গু প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন, বাল্যবিবাহ রোধ, শিক্ষার প্রতি মানুষ কে সচেতন করা, স্কুল ভিত্তিক মাদক বিরোধী কর্মশালা, সন্তোষপুর পাটোয়ারী বাড়ীর সামনে মহিলা নূরানী মাদ্রাসা,সন্তোষ পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিখন সামগ্রী বিতরণ, বেপারী বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ১৫ জোড়া বেঞ্চ প্রদান, অসহায় অভিভাবক দের উতসাহ প্রদান করার জন্য বই, খাতা ও পড়াশোনার খরচ দেওয়া সহ নানা কর্মসূচি গেহন করে।

এই সংগঠনের কার্যক্রম পাঠাগার কেন্দ্রিক পরিচলিত হবে বলে এর উদ্যেক্তারা জানান। স্বপ্নতরী পাঠাগার নামে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে পাঠাগার গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলমান। ইতোমধ্যে ৩নং ওয়ার্ডে স্বপ্নতরী পাঠাগার গড়ে তোলা হয়েছে। বাকী চারটি চলমান। মানবসেবার এই মহান ব্রত নিয়ে তারুণ্যের উচ্ছাস আলোকিত ১১নং ইউনিয়ন সত্যিকার অর্থেই আলোকিত বাংলাদেশের রোল মডেল হউক।

আরও পড়ুন- ইলিশ পাচ্ছেন না চাঁদপুরের জেলেরা