স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার বাস চালুর অনুমতি না দিলে ঈদের দিন অবস্থান ধর্মঘট করার ঘোষণা দিয়েছে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের সংগঠনগুলো।

সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান দাবি জানিয়েছেন, সরকার যেন ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিকদের সরকারি সহায়তা দেয়।

শনিবার (৮ মে) গণপরিবহন চালুর দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

শাজাহান খান বলেন, পাঁচ দফা দাবি না মানলে ঈদের দিন সারাদেশে বাস-ট্রাক স্ট্যান্ডে সকাল ১০টা থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে।

তিনি বলেন, গাড়ি বন্ধ থাকলেও মানুষের যাতায়াত বন্ধ থাকে না। এটা বিশেষজ্ঞদের জানা নেই। তাই লোকাল গাড়ির মতোই দূরপাল্লার গাড়ির জন্য লকডাউন শিথিল করারও দাবি জানান তিনি।

একইসাথে, সরকারি নিদের্শনা অমান্য করে দূরপাল্লার যেসব গাড়ি ছাড়ছে, এর সঙ্গে মালিক সমিতির কোনো সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ রেখে পরিবহন খুলে দেয়া বিজ্ঞানসম্মত নয়, এতে সংক্রমণ আরও বাড়বে।

এ ছাড়া লকডাউনে বন্ধ থাকার সময় গাড়ির ট্যাক্স-টোকেন, রুট পারমিট ফি, আয়কর, ড্রাইভিং লাইসেন্স ফিসহ সব ধরনের ফি, কর ও জরিমানা মওকুফ করে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত কাগজপত্র হালনাগাদ করার সুযোগ দিতে হবে।