স্থিতিশীল তহবিল

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৭টি কোম্পানি সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিঘ্নিত হয়েছে বলে মনে করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তাই যেসব কোম্পানি লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের কাছে খুব শিগগিরেই ব্যাখা চাইবে কমিশন। এসব কোম্পানিগুলোকে চিঠি দেওয়া হবে।

যেসব কোম্পানি লভ্যাংশ প্রদান করেনি সেগুলো হলো- দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ, আরএন স্পিনিং মিলস, সাভার রিফেক্টরিজ, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি, মুন্নু ফেব্রিক্স, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, জাহিন স্পিনিং, স্টাইলক্রাফট, এটলাস বাংলাদেশ, ইস্টার্ন ক্যাবলস, রেইনইউক যজ্ঞেশ্বর, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, আজিজ পাইপস, রতনপুর স্টিল রি রোলিং মিলস, ইয়াকিন পলিমার, অরামিট সিমেন্ট, ফাইন ফুডস, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, শ্যামপুর সুগার মিলস, জিলবাংলা সুগার, ফু ওয়াং ফুড, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, জুট স্পিনার্স, ইনফরমেশন সার্ভিসেস, ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোড, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, এমবি ফার্মা, প্রাইম ফাইন্যান্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ফার্স্ট ফাইন্যান্স ও রিজেন্ট টেক্সটাইল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসি’র কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সর্বশেষ হিসাব বছরে যেসব কোম্পানি লভ্যাংশ প্রদান করছে না, সেসব কোম্পানি বিএসইসির নজরদারিতে রয়েছে। লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণ কোম্পানিগুলোর কাছে ব্যাখা চাওয়া হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যাতে লভ্যাংশ পেতে পারে সে বিষয়ে কমিশন খুবই আন্তরিক। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে কমিশন যা যা করণীয় তাই করবে।’