কুমিল্লার ঘটনায়

সরকারের পদত্যাগ দাবি করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, এ ঘটনা সরকারের চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এটা করেছে। লোক দেখানো ধরপাকড় করে লাভ নেই। এ ঘটনায় সরকারের পদত্যাগ করা উচিত।

শুক্রবার কুমিল্লায় ঘটে যাওয়া উদ্ভূত পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে নানুয়া দিঘীরপাড় এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এতগুলো পুলিশের মাঝে কীভাবে এই ঘটনা ঘটে? এ ঘটনা আমাদের জন্য ন্যক্কারজনক। এ পর্যন্ত একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা দরকার। লোক দেখানো বিচার করে কোনো লাভ হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে এর সুরাহা করা উচিত।

এ সময় গণসংহতি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখানে উপস্থিত হওয়ার পরও কীভাবে একদল লোক সংগঠিত হচ্ছে? হামলা করে সফল হচ্ছে? প্রতিমা ভাঙচুর করতে পারছে? সত্যিকারের মুসলিম এই কাজটি করতে পারে না। এমনকি একজন সনাতন ধর্মের মানুষও এ কাজটি করতে পারে না। যারা এটা রেখেছে, তারা পূবপরিকল্পিতভাবে এটা করেছে।

তিনি আরও বলেন, এটা সরকারের মদদে হয়েছে। কারণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত হওয়ার পরও ঘটনাটি সৃষ্টি হচ্ছে। এখন সরকার তৎপর, ধড়পাকড় করছেন। ফেসবুক ইন্টারনেট সব বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। সরকার ক্ষমতা রক্ষার জন্য বাংলাদেশকে বিপজ্জনক খাদের দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।