বাংলাদেশ ব্যাংক

অর্থ মন্ত্রণালয়ে বৈঠকে অংশ নেয়া বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিএসইসির প্রতিনিধিরা কেউ গণমাধ্যমের সামনে কথা বলেননি। তবে একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে বলেন, ‘এই দুটি বিষয়ে আলাপ হয়েছে। এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের এগ্রি করা না করার বিষয় আর নেই। এটি এখন অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর বিষয়।

তাদের দিক থেকে এসব বিষয়ে দিক নির্দেশনা আসবে। এটি করার জন্য আইন পরিবর্তনের দরকার পড়বে। সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে, এ জন্য কিছু সময় লাগবে।’বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মন্তব্য জানতে চাইলে সংস্থাটির সহকারী মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে কোনো কথা বলবে না।’

পুঁজিবাজার নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের পর সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না এলেও বৈঠকে অংশ নেয়া একজন কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা গণনা নিয়ে যে মতভেদ আছে, তা নিরসন এখন বিএসইসি বা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে নেই। বিষয়টি এখন সরকারের হাতে।গত ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির মধ্যে বৈঠকের এক সপ্তাহ পর প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় বৈঠকটির আয়োজন করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এতে বিএসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি ছাড়াও যোগ দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবির প্রতিনিধি।বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিএসইসির কেউ কথা বলেননি। বৈঠকের সভাপতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং শেয়ারবাজার কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকি কমিটির আহ্বায়ক মফিজ উদ্দীন আহমেদ জানিয়েছেন, তারা যেসব বিষয়ে আলোচনা করেছেন, সেটি চূড়ান্ত আকার নিতে আরও একটি বৈঠক লাগবে। চলতি ডিসেম্বরে বা আগামী জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই হবে সেই বৈঠক।

এই বৈঠককে ঘিরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দুটি বিষয়ে প্রত্যাশা ছিল। একটি হলো পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা বা এক্সপোজার লিমিট ক্রয়মূল্যে নাকি বাজার মূল্যে বিবেচনা হবে, বন্ডে বিনিয়োগ এই সীমায় থাকবে নাকি বাইরে থাকবে।তবে বৈঠক শেষে এসব বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব দেননি বৈঠকের সভাপতি। তিনি বলেন, ‘এগুলো খুবই সেনসিটিভ ইস্যু। এ ব্যাপারে এখনই কোনো কথা বলতে চাইছি না। এর জন্য আপনাদেরকে পরবর্তী বৈঠকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’